মেয়ের বিয়ের জন্য নিজেই ‘পাত্র চাই’ পোস্টার লাগালেন চিরঞ্জিত! ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ ছবির প্রোমোশনে তুমুল শোরগোল

অপেক্ষা আর মাত্র দু’দিনের। আগামী ২৯ নভেম্বর বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে অর্ণব মিদ্যা এবং অরুণাভ মিদ্যা পরিচালিত বাংলা ছবি ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ (Haati Haati Paa Paa)। বাবা-মেয়ের নিখাদ ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, মায়া এবং খুনসুটির গল্প নিয়েই এই ছবির বুনন। এই ছবিতে বাবা-মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী এবং রুক্মিণী মৈত্র।
কিন্তু ছবি মুক্তির আগেই এক চরম কাণ্ড ঘটালেন চিরঞ্জিত! নিজের মেয়ের বিয়ের জন্য তিনি পোস্টার ছাপিয়ে তা শহরের দেওয়ালে দেওয়ালে লাগিয়ে দিচ্ছেন! পোস্টারে লেখা—”পাত্র চাই- প: ব: ব্রাহ্মণ ২৭/৫’১০” ফর্সা স্লিম সুদর্শনা চাকুরীজীবি পাত্রীর জন্য অবিলম্বে উপযুক্ত কলকাতা নিবাসী শিক্ষিত প্রতিষ্ঠিত সুপাত্র চাই। কারোর সন্ধানে থাকলে সত্ত্বর যোগাযোগ করুন। দীপক চক্রবর্তী।”
আর এই ঘটনা দেখে রেগে আগুন হয়ে গিয়েছেন মেয়ে রুক্মিণী! হবেন না-ই বা কেন? এই পোস্টারেই এখন ছেয়ে গিয়েছে সারা সোশ্যাল মিডিয়া। রাতের অন্ধকারে বাবার এমন কাণ্ড দেখে তাকে টেনে নিয়ে ঘরে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন মেয়ে।
প্রোমোশনের নতুন কৌশল: ভাইরাল ভিডিয়ো
তবে এই সবটাই ছবির প্রোমোশনের অংশ হিসেবে প্রচারিত। কিন্তু এই ভিডিয়োটি তার নাটকীয়তার লেশমাত্র না থাকায় বিশেষভাবে নজর কেড়েছে সাধারণ মানুষের। ছবির নায়িকা রুক্মিণী মৈত্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “বাপ রে বাপ.. দেখুন আমার বাবার কাণ্ড… দু’দিন শহরে ছিলাম না কি কাণ্ডটাই না করেছে চারিদিকে!!” সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে প্রোমোশনের ধরনের বদল হচ্ছে, আর এই কৌশলটি বেশ অন্যরকম এবং মর্মস্পর্শী তা বলাই বাহুল্য।
ইফি-তে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’
ছবিটি মুক্তির আগেই এক বিশেষ সম্মান পেয়েছে। ২৯তম ‘ইফি’ (ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়া) গোয়াতে প্রদর্শিত হয়েছে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’। সেই প্রদর্শনীতে যোগ দিতেই গোয়াতে গিয়েছিলেন রুক্মিণী। সেখানে তিনি ছবির দুই পরিচালকের সঙ্গে রেড কার্পেটও মাতিয়েছেন।
সম্প্রতি ছবির ট্রেলারও মুক্তি পেয়েছে, যা বাবা-মেয়ের ভালোবাসা, খুনসুটি এবং একটি বয়সের পরে সন্তানদের বাবা-মাকে সামলানোর নাজেহাল চিত্র তুলে ধরেছে।
অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ইটিভি ভারতকে জানিয়েছেন, “এই ছবিতে বাবা যে কাণ্ডগুলো ঘটাচ্ছে সেগুলো সবই মেয়েকে সংসারী করানোর জন্য, তার কেরিয়ার গড়ে তোলার জন্য। তার জন্য বিদেশে তার প্রেমিক অপেক্ষা করছে। এদিকে মেয়ে তার বাবাকে নিয়ে ব্যস্ত।”