বাতাসে পুজোর গন্ধ…, ছোটবেলার কোন স্মৃতিতে ডুবে আবির চট্টোপাধ্যায়, জানালেন নিজে

আকাশে-বাতাসে এখন পুজোর গন্ধ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তারকাদেরও পুজোর কেনাকাটা ও পরিকল্পনার তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। তবে অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায় জানালেন, পুজোর কেনাকাটির দায়িত্ব তাঁর নয়, সে কাজটা তাঁর স্ত্রী নন্দিনীই সামলান। তিনি শুধু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের টাকা কাটার নোটিফিকেশনই পান। তবে তিনি এখন উপহার পেতে নয়, বরং উপহার দিতেই বেশি ভালোবাসেন।

প্যান্ডেল হপিং ও ছোটবেলার স্মৃতি
তারকা হওয়ার কারণে এখন ইচ্ছে হলেও হুট করে প্যান্ডেল হপিং বা রাত জেগে শহরের রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো হয় না। তাই পুজোর আমেজ বলতে আবিরের কাছে আজও ছোটবেলার স্মৃতিই সবচেয়ে বেশি তাজা। তিনি বলেন, “ছোটবেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে যেতাম। তখন এক রকমের আনন্দ ছিল। এরপর যখন একটু বড় হলাম, পকেট মানি পেতাম, বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়ে ঠাকুর দেখতাম। তখন আমরা পুজোর জন্য টাকা জমাতাম, সেই টাকা দিয়ে ট্যাক্সি চড়তাম।”

আবিরের কথায়, “তখন সবসময় আমাদের ট্যাক্সি চাপার সুযোগ হত না, তাই পুজোর সময়ই আমরা একটু ট্যাক্সি চড়তাম। একই ট্যাক্সিতে আট-নয়জনও উঠে পড়েছি, কোনো অসুবিধা হয়নি। আর হলুদ ট্যাক্সি আমাদের কলকাতার ঐতিহ্য, যা এখন প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে।”

কলকাতার হলুদ ট্যাক্সি
আসলে এই দুর্গাপুজোয় এক রংয়ের কোম্পানি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী হলুদ ট্যাক্সিগুলোকে নতুন করে সাজিয়ে তুলছে। আবির এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “‘চলতে চলতে ৪০’ নামের এই প্রজেক্টে এই রং কোম্পানি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী হলুদ ট্যাক্সি এবং কলকাতার পুজোর বিবর্তনকে মিলিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, যা খুবই প্রশংসার যোগ্য।” এই রংবেরঙের ট্যাক্সিগুলো সারা পুজো কলকাতার রাস্তায় ঘুরবে এবং মানুষ কলকাতার ঐতিহ্যকে নতুন রূপে দেখতে পাবে।