স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘সংসারের সংকীর্তন’-এর ফুলশয্যার রাত নিয়ে এখন তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। সদ্য শুরু হওয়া এই ধারাবাহিকে মানালি মনীষা দে (শান্তিলতা) এবং সব্যসাচী চৌধুরীর (জয়ন্ত) কেমিস্ট্রি যেমন নজর কেড়েছে, তেমনই দর্শক হেসে খুন পর্দার শ্বশুর-শাশুড়ির কাণ্ডকারখানা দেখে। তবে নতুন প্রোমো আসতেই হাসি আর উত্তেজনার পারদ চড়েছে কয়েক গুণ।
বাসর ঘরেই বিপদ:
প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, জয়ন্ত ও শান্তির ফুলশয্যার প্রস্তুতি তুঙ্গে। মনের মানুষকে স্ত্রী হিসেবে পেয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছে জয়ন্ত। কিন্তু রোম্যান্টিক মুহূর্ত তৈরি হতেই ছন্দপতন! দরজায় কড়া নাড়ে বাড়ির লোকজন। জয়ন্তর কাকিমা এসে এক অদ্ভুত ফরমান জারি করেন— বাড়ির কর্তা বংশীর (শুভাশিস মুখার্জি) করা এক বিশেষ ব্রত অনুযায়ী, নতুন বর-বউকে আগামী এক মাস আলাদা থাকতে হবে! অর্থাৎ, ফুলশয্যার রাতেই কপালে জুটল বিরহ।
কূল দেবতার ইচ্ছে না বাবার জেদ?
হতাশ জয়ন্ত বাবার কাছে গিয়ে কারণ জানতে চাইলে বংশী সাফ জানায়, এটা নাকি তাদের কূল দেবতার ইচ্ছে। যুক্তি পাল্টা যুক্তির লড়াইয়েও বাবাকে টলাতে পারে না সে। মূলত, বাঙাল বাড়ির কট্টরপন্থী কর্তা বংশী কিছুতেই তাঁর ঘটি বাড়ির বউমা শান্তিলতাকে মেনে নিতে পারছেন না। আর তাই বউমাকে শায়েস্তা করতে এবং তাকে জয়ন্তর থেকে দূরে রাখতে এই ‘ব্রত’-র অজুহাত।
বাঙাল বনাম ঘটির এই চিরকালীন লড়াই আর শ্বশুরের একের পর এক অদ্ভুত ফন্দি সামলে শান্তিলতা কীভাবে নিজের সংসার টিকিয়ে রাখে, এখন সেটাই দেখার। টানটান হাস্যকৌতুক আর পারিবারিক ড্রামা নিয়ে ‘সংসারের সংকীর্তন’ যে টিআরপি দৌড়ে এগিয়ে থাকবে, তার ইঙ্গিত মিলছে প্রোমোতেই।





