ভারতীয় গণতন্ত্রকে কালিমালিপ্ত করার ষড়যন্ত্র? হার্ভার্ডের ১০০ বিশিষ্টজনের চিঠিতে তীব্র তোলপাড়!

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট, নির্বাচন কমিশন এবং সংসদের মতো শীর্ষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নেতিবাচক প্রচার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম অপব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে এবার সরব হলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ১০০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। আইনজীবী, নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, সরকারি আধিকারিক এবং শিক্ষাবিদদের যৌথ স্বাক্ষরিত একটি চাঞ্চল্যকর বিবৃতিতে ভারতের সাংবিধানিক কাঠামোর মর্যাদা রক্ষার জোর দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে এই মুহূর্তে নীরব থাকা অপরাধের শামিল। ভারতের নির্বাচন কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট এবং প্রধান বিচারপতির দফতরকে পরিকল্পিতভাবে ‘চোর’ বা ‘আপসকামী’ বলে কুৎসা রটানো হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্যই হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা একবারে ধ্বংস করে দেওয়া। কোনো উপযুক্ত অনুমতি ছাড়াই নিজেদের রাজনৈতিক প্রচারে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে গ্রহণযোগ্যতা তৈরির যে চেষ্টা চলছে, তাকে তীব্র ভাষায় ধিক্কার জানিয়েছেন এই ১০০ জন সদস্য।

বিবৃতিতে তাঁরা সাফ জানিয়েছেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির কাজের পর্যালোচনা অবশ্যই হতে পারে, কিন্তু ঢালাও অভিযোগ আর অপমানজনক মন্তব্য কখনোই প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির বিকল্প হতে পারে না। রাজনৈতিক ফায়দা বা সুবিধেবাদী মনোভাবের ঊর্ধ্বে উঠে সংবিধান, আইনের শাসন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তা দিয়েছেন তাঁরা।