৫২ বছরেও ত্বকে তারুণ্য ধরে রেখেছেন কারিশমা, জেনেনিন তার রূপের রহস্য

বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের সৌন্দর্য ও দীপ্তিময় ত্বক নিয়ে অনুরাগীদের কৌতূহলের শেষ নেই। সময়ের সঙ্গে তাঁর বয়স বাড়লেও চেহারার জৌলুস আজও আগের মতোই অটুট। যেখানে তারকারা দামি প্রসাধনী ও দীর্ঘ স্কিনকেয়ার রুটিনের পিছনে ছোটেন, ঠিক সেখানে কারিশমার চিরসবুজ সৌন্দর্যের নেপথ্যে রয়েছে একেবারে প্রাচীন ও ঘরোয়া এক উপাদান—খাঁটি ঘি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ছোটবেলার স্মৃতির পাতা উলটে অভিনেত্রী জানান, দাদিকে দেখেই তাঁর রূপচর্চার পাঠ শুরু হয়েছিল। কৃত্রিম প্রসাধনীর পরিবর্তে দাদি সবসময় ঘরোয়া উপাদানের ওপর ভরসা করতেন। আর সেই প্রাচীন পরিচর্যার অন্যতম মূল চাবিকাঠি ছিল ঘি। শুধু ডায়েটে রাখা নয়, মুখেও ঘি ব্যবহার করতেন তাঁরা। দক্ষিণ এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী এই টোটকা ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী। ঘিতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের ওপর প্রতিরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করে শুষ্কভাব দূর করতে সাহায্য করে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘি-কে কোনো জাদুকরি উপাদান ভাবলে ভুল হবে। যাঁদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, তাঁরা আঙুলের ডগায় সামান্য ঘি নিয়ে শুষ্ক অংশে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে মৃদু ক্লিনজার দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন। এমনকি খুব শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে রাতেও এটি ব্যবহার করা যায়। তবে ব্রণপ্রবণ বা তৈলাক্ত ত্বকে সরাসরি ঘি ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই যেকোনো নতুন ঘরোয়া পদ্ধতি অন্ধভাবে অনুসরণ না করে নিজের ত্বকের ধরণ বুঝে তবেই রূপচর্চায় তার ব্যবহার করা উচিত।