স্বৈরাচারী ও একনায়কতন্ত্রের অভিযোগ! নির্বাচনের পরেই ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থী পদ ছাড়লেন ‘তাজা নেতা’ আরাবুল ইসলাম

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (ISF) টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আরাবুল ইসলাম। ভোটের লড়াইয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সেই দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিশেষ পোস্ট শেয়ার করে নিজের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে এনেছেন এই ‘তাজা নেতা’।

সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে আরাবুল ইসলাম সরাসরি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “আইএসএফের স্বৈরাচারী এবং একনায়কতন্ত্রকে আমি ধিক্কার জানাই।” একইসঙ্গে তাঁর সংযোজন, আইএসএফের লুম্পেন বাহিনীর হাতে ভাঙড় জুড়েই সাধারণ মানুষের ওপর যেভাবে অত্যাচার ও অনাচার নেমে এসেছে, তার প্রতিবাদেই তিনি দল থেকে ইস্তফা দেওয়ার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের মরশুমে ঘাসফুল শিবির ছেড়ে আইএসএফের হাত ধরা এবং নির্বাচন মিটতেই দলবদল কিংবা পদত্যাগের এই ঘোষণা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। বিশেষ করে ভাঙড় ও ক্যানিং পূর্বের মতো সংবেদনশীল রাজনৈতিক এলাকায় আরাবুল ইসলামের মতো নেতার এই পদত্যাগ আইএসএফের সাংগঠনিক ভিত্তিকে বড় ধাক্কা দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দলের অন্দরের স্বৈরাচারী মনোভাব এবং একপেশে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাঁর এই মুখ খোলায় বিরোধী শিবিরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো পাল্টা প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও, ঘটনার জেরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক সমীকরণ যে ফের বদলাতে শুরু করেছে, তা বলাই বাহুল্য।