ক্যাম্পাসে তাণ্ডব আর হিংসা বরদাস্ত নয়! যাদবপুর কাণ্ডে কুণাল ঘোষের কড়া মন্তব্যে শোরগোল

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া অনভিপ্রেত অশান্তি, ভাঙচুর এবং সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনের পবিত্রতা রক্ষা এবং ক্যাম্পাসের অন্দরে নিরাপত্তার বেহাল দশা নিয়ে যখন বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় বইছে, ঠিক তখনই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে কড়া ভাষায় মুখ খুললেন শাসক দলের প্রবীণ নেতা কুণাল ঘোষ। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বহিরাগতদের অনধিকার প্রবেশ এবং সেখানে তাণ্ডব চালানোর মতো ঘটনার তিনি কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।
সাম্প্রতিক এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছেন যে, কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাইরে থেকে লোকজন ঢুকে এসে হামলা চালাবে, ভাঙচুর করবে, আগুন লাগাবে কিংবা হুমকি দেবে—এহেন অরাজক পরিস্থিতি কোনো অবস্থাতেই মেনে নেওয়া যায় না এবং তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তাঁর দাবি, বর্তমান প্রশাসনের জমানায় বা এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি কখনোই প্রশ্রয় পায়নি। পাশাপাশি, এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি সমস্ত মহলে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন।
শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক হানাহানি এবং তার জেরে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সচেতন নাগরিক সমাজ ও অভিভাবকমহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের হিংসাত্মক ও বহিরাগত আগ্রাসনের ঘটনা কীভাবে বারবার ঘটে চলেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সামগ্রিক এই পরিস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে পারদ চড়ছে রাজ্য রাজনীতির। যাদবপুরকাণ্ডের পরবর্তী পদক্ষেপে প্রশাসন কী ভূমিকা নেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেমন কড়া পদক্ষেপ করা হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।