নতুন অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার শুভ সূচনা! আদ্যাপীঠে পুজো দিয়ে খুদে পড়ুয়াদের মাঝে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী

দক্ষিণেশ্বরের পবিত্র অঙ্গন আদ্যাপীঠে সস্ত্রীক ও দলবল সমেত নয়, বরং একেবারে অন্য মেজাজে ধরা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শুভেন্দু অধিকারী। এদিন আদ্যাপীঠের মাটিতে পা রেখে প্রথমে নিষ্ঠাভরে পুজো এবং আরতি সম্পন্ন করেন তিনি। মন্দিরের ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের সঙ্গে একাকার হয়ে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভক্ত ও অনুগামীদের মন জয় করেন তিনি। এই ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক আবহেই আদ্যাপীঠের সামগ্রিক পরিষেবা আরও উন্নত করতে একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। জনকল্যাণমূলক এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ ও তীর্থযাত্রীরা চিকিৎসাগত জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে এই প্রশাসনিক ও উদ্বোধনী পর্বের ঠিক পরেই তৈরি হয় এক অনন্য আবেগঘন মুহূর্ত। অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী সোজা চলে যান আদ্যাপীঠের চত্বরে উপস্থিত স্থানীয় শিশু ও খুদে পড়ুয়াদের কাছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে একেবারে নিজেদের সামনে নাগালের মধ্যে পেয়ে চরম উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে শিশুরা। প্রশাসনিক ব্যস্ততা ও রাজনৈতিক উত্তাপের সমস্ত বেড়াজাল ভেঙে তিনি নিজে থেকেই শিশুদের মাঝে সময় কাটান। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের মাথায় হাত বুলিয়ে তাদের পড়াশোনা, খাওয়া-দাওয়া এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা ছোটখাটো বিষয়ে অত্যন্ত স্নেহের সুরে খোঁজখবর নেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই সহজ ও সাবলীল আচরণ দেখে আদ্যাপীঠ চত্বরে উপস্থিত সাধারণ দর্শনার্থী ও ভক্তরাও দারুণ আপ্লুত হন। ছোট্ট পড়ুয়ারাও তাদের প্রিয় নেতাকে এত কাছে পেয়ে আনন্দ ও হাসিমুখে মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখে। সব মিলিয়ে, দক্ষিণেশ্বরের আদ্যাপীঠের এই পূর্ণাঙ্গ সফর রাজনৈতিক খবরের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মন জয় করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।