তেলের খরচে পকেট ফাঁকা? এক কেজি গ্যাসে ৩৯ কিলোমিটার মাইলেজ দেওয়া এই গাড়িগুলোই এখন দেশের সেরা চয়েস!

দেশে হু হু করে বাড়ছে সিএনজি চালিত গাড়ির চাহিদা। শহরের ব্যস্ত রাস্তা হোক কিংবা লং ড্রাইভ—কম খরচে বেশি মাইলেজের জাদুতে ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ এখন সিএনজি মডেলগুলি। মারুতি সুজুকি থেকে শুরু করে টাটা মোটরস এবং হুন্ডাই—প্রত্যেকটি অটোমোবাইল ব্র্যান্ডই বাজারে নিয়ে এসেছে একাধিক দুর্দান্ত অপশন। তবে প্রশ্ন হল, কম বাজেটে কোন গাড়িটি আপনাকে দেবে সর্বোচ্চ মাইলেজের গ্যারান্টি?
মাইলেজের দিক থেকে সবার উপরে রয়েছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মারুতি সুজুকি। তাদের পোর্টফোলিওতে থাকা মারুতি ওয়াগনআর (WagonR) প্রতি কেজিতে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার পর্যন্ত দুর্দান্ত মাইলেজ দিয়ে থাকে। ৫.৫৪ লাখ টাকা থেকে শুরু হওয়া এই গাড়িটি সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে দেশজুড়ে দারুণ জনপ্রিয়। এছাড়া মারুতির ব্যালেনো (Baleno) এবং সুইফট ডিজায়ার (Swift Dzire) মডেল দুটিও ক্রেতাদের নজর কাড়ছে। ব্যালেনো প্রতি কেজিতে ৩০.৬১ কিমি এবং সুইফট ডিজায়ার প্রায় ৩১.১২ কিমি মাইলেজ অফার করে। এর এক্স-শোরুম দাম শুরু হচ্ছে যথাক্রমে ৬.৬৬ লাখ এবং ৬.৫৭ লাখ টাকা থেকে।
অন্যদিকে, টাটা মোটরসও পিছিয়ে নেই। তাদের জনপ্রিয় হ্যাচব্যাক অলট্রোজ (Altroz)-এ রয়েছে অভিনব ডুয়াল সিলিন্ডার টেকনোলজি, যার ফলে বুট স্পেস বা ডিকির জায়গা নষ্ট না করেই দুর্দান্ত মাইলেজ পাওয়া যায়। এই গাড়িটির মাইলেজ ২৬ থেকে ২৭ কিলোমিটারের কাছাকাছি। পাশাপাশি টাটা পাঞ্চ সিএনজি মডেলটিও প্রায় ২৭ কিমি মাইলেজ দেয়, যার প্রারম্ভিক মূল্য ৬.১৩ লাখ টাকা।
দক্ষিণ কোরিয়ান অটোমেকার হুন্ডাইও চমৎকার সব সিএনজি মডেল নিয়ে হাজির হয়েছে। হুন্ডাই এক্সটার (Exter)-এ প্রায় ৬০ লিটারের সিএনজি ক্যাপাসিটি পাওয়া যায় এবং এর মাইলেজ ২৬-২৭ কিমি প্রতি কেজি। এছাড়া গ্র্যান্ড আই১০ নিওস (Grand i10 Nios) এবং অুরা (Aura) মডেলগুলিও সাশ্রয়ী মূল্যে দারুণ পারফরম্যান্স দিচ্ছে। বাজেট এবং মাইলেজের সেরা কম্বো খুঁজতে গেলে এই গাড়িগুলি আপনার যাতায়াতের খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই কমিয়ে দেবে।