“অনলাইন নয়, সরাসরি যোগাযোগ!”-মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ যাওয়ার নিয়মাবলী জানুন

রাজ্যের সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য উদ্যোগী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দলীয় উদ্যোগে সল্টলেকের বিজেপির পার্টি অফিসে নিয়মিতভাবে বসছে ‘জনতার দরবার’। যেখানে ভুক্তভোগী মানুষ তাঁদের দীর্ঘদিনের সমস্যা এবং অভিযোগের কথা সরাসরি জানাতে পারছেন এবং মিলছে দ্রুত সমাধানও। অনেকেই এখন এই দরবারে নাম লেখাতে চাইছেন, তবে সঠিক পদ্ধতি না জানার ফলে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। আপনার সমস্যার সমাধানে ‘জনতার দরবার’-এ কীভাবে পৌঁছাবেন, দেখে নিন তার সম্পূর্ণ গাইডলাইন।

কীভাবে আবেদন করবেন? অনেকেই ইন্টারনেটে বা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনের খোঁজ করেন, তবে মনে রাখবেন, এখানে অনলাইন আবেদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে সশরীরে।

  • বিজেপি পার্টি অফিসে যোগাযোগ: আবেদনকারীকে সরাসরি সল্টলেকের বিজেপির পার্টি অফিসে যেতে হবে। অফিস চলাকালীন সময় অর্থাৎ সোমবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • নির্দিষ্ট কাউন্টার: অফিসে পৌঁছে ‘জনতার দরবার’-এর নির্দিষ্ট কাউন্টারে গিয়ে নিজের সমস্যা ও অভিযোগ স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।

  • প্রয়োজনীয় নথিপত্র: সমস্যার সপক্ষে সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র বা নথিপত্র সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক।

  • টোকেন সিস্টেম: কাউন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্তরা প্রাথমিক সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন। যদি তাঁরা মনে করেন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন, তবেই আপনার নাম, মোবাইল নম্বর এবং সমস্যার বিবরণ নথিভুক্ত করা হবে। সেই সঙ্গে আপনাকে একটি টোকেন দেওয়া হবে। এছাড়া আপনার ব্যক্তিগত পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হতে পারে।

  • ফোন কলের অপেক্ষা: নাম নথিভুক্ত হওয়ার পর আপনার কাজ আপাতত শেষ। পরবর্তীতে বিজেপির পক্ষ থেকে আপনার দেওয়া মোবাইল নম্বরে ফোন করে সাক্ষাতের তারিখ ও সময় জানিয়ে দেওয়া হবে। সাধারণত দরবার বসার ২-৩ দিন আগেই এই ফোন করা হয়।

জরুরি কিছু তথ্য:

  • নির্ধারিত দিনটিতে অবশ্যই নিজের পরিচয়পত্র এবং দলীয় কার্যালয় থেকে দেওয়া টোকেনটি সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত থাকতে হবে।

  • মনে রাখবেন, ভোর থেকে লাইন দিয়ে এখানে প্রবেশের সুযোগ নেই। একমাত্র যথাযথ প্রক্রিয়ায় নাম নথিভুক্ত এবং ফোন কলের মাধ্যমেই সাক্ষাতের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।

অন্য কোনোভাবে বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে এই দরবারে প্রবেশের সুযোগ নেই। তাই গুজবে কান না দিয়ে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।