দাম্পত্য সম্পর্কের গভীরতা অনেক সময়ই কঠিন বাস্তবতার সামনে থমকে দাঁড়ায়। সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও, অনেক স্ত্রী বুঝতে পারেন না যে তার প্রিয় মানুষটি ধীরে ধীরে সম্পর্ক থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, স্বামী যদি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন, তবে তার আচরণে কিছু সুনির্দিষ্ট পরিবর্তনের ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
প্রথমত, স্বামীর আচরণে এক ধরনের ‘মানসিক অনুপস্থিতি’ লক্ষ্য করা যায়। তিনি আপনার সাথে নম্র ব্যবহার করলেও আপনার প্রতি তার মনোযোগ কমে যায়, কারণ তার কৌতূহল এখন অন্য কোথাও নিবদ্ধ। দ্বিতীয়ত, অকারণে সমালোচনা করা এবং দোষারোপের প্রবণতা বেড়ে যাওয়া একটি বড় সংকেত। অপরাধবোধ থেকে সৃষ্ট মানসিক চাপে তিনি আপনার পোশাক, কাজ বা বন্ধু—সব কিছুতেই নেতিবাচক খুঁত ধরতে পারেন।
তৃতীয়ত, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কলহ বা অসম্মানজনক কথাবার্তা বাড়তে থাকে। যখন দম্পতির মধ্যে আলোচনা বা সমঝোতার বদলে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ বেশি স্থান পায়, তখন বুঝতে হবে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। চতুর্থত, অন্তরঙ্গতার অভাব। শারীরিক ঘনিষ্ঠতা থাকলেও আবেগীয় সংযোগ বা ছোটখাটো আদুরে আচরণগুলো হারিয়ে যায়। সবশেষে, সম্পর্কের সেই চিরচেনা হাসি ও রসিকতাগুলো যখন আর আনন্দের উৎস থাকে না, তখন তা বড় বিপদের পূর্বাভাস দেয়। এই পরিবর্তনগুলো একদিনে ঘটে না, বরং চোখের সামনেই ঘটে। তাই সম্পর্কের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সঙ্গীর আচরণের এই সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো খেয়াল রাখা জরুরি।





