মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভার দফতর বণ্টনের খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। বিজেপি ও আরএসএস নেতৃত্বের সম্মতিক্রমে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি, তবুও সামনে এসেছে মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য পোর্টফোলিও।
মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বসমূহ:
শুভেন্দু অধিকারী (মুখ্যমন্ত্রী): স্বরাষ্ট্র (নিজস্ব), আইন ও বিচার, ভূমি ও ভূমিরাজস্ব, এবং বিদ্যুৎ।
স্বপন দাশগুপ্ত: অর্থ দফতর।
শারদ্বত মুখোপাধ্যায়: স্বাস্থ্য দফতর।
তাপস রায়: শিল্প ও বাণিজ্য।
জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়: উচ্চশিক্ষা দফতর।
দীপক বর্মণ: স্কুলশিক্ষা দফতর।
অগ্নিমিত্রা পাল: নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ এবং পুর ও নগরোন্নয়ন।
দিলীপ ঘোষ: পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ।
অর্জুন সিংহ: পরিবহণ ও শ্রম।
ইন্দ্রনীল খাঁ: ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং ক্রেতা সুরক্ষা।
অশোক কীর্তনিয়া: খাদ্য ও সরবরাহ।
শঙ্কর ঘোষ: পর্যটন।
ক্ষুদিরাম টুডু: আদিবাসী উন্নয়ন।
দুধকুমার মণ্ডল: কৃষি (সম্ভাব্য)।
কল্যাণ চক্রবর্তী: কৃষি বা কারিগরি শিক্ষা (সম্ভাব্য)।
কেন শিক্ষা দফতরে বড় রদবদল?
রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ জটিলতা ও দীর্ঘদিনের বিতর্ক নিরসনের লক্ষ্যে বিজেপি নেতৃত্ব এবার শিক্ষা দফতরকে দুভাগে ভাগ করার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উচ্চশিক্ষা ও স্কুলশিক্ষার জন্য আলাদা দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নজরদারি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। আরএসএস ও বিজেপি আদর্শে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতাদের এই দায়িত্বে আনা হচ্ছে বলেই খবর।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
দফতর বণ্টনের এই তালিকাটি দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী তৈরি। তবে আনুষ্ঠানিক সরকারি ঘোষণার আগে শেষ মুহূর্তে দু-একটি দফতরে রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা এখনো উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।





