লোকসভায় তৃণমূলের দুই সাংসদের মধ্যে প্রকাশ্যে এল তীব্র সংঘাত। দলের সতীর্থ কাভোলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর বিরুদ্ধে ‘নারীবিদ্বেষী’ আচরণের অভিযোগ তোলায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অভিযোগের সময় ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কল্যাণ। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, লোকসভার ভেতরে কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটলে তা নিয়ম অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে স্পিকারকে জানানো উচিত। এত দেরিতে অভিযোগ জানানোয় কাভোলির উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দিহান কল্যাণ।
প্রসঙ্গত, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে কাভোলি ঘোষ অভিযোগ করেছেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ধারাবাহিকভাবে তাঁকে মৌখিকভাবে অপমান করেছেন। তিনি এই আচরণের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন। কাভোলির মতে, এটি কেবল তাঁর ক্ষেত্রেই নয়, বরং দলের আরও অনেক মহিলা সদস্যের বিরুদ্ধে থাকা এক নারীবিদ্বেষী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।
এই টানাপোড়েনের মাঝেই আরও বড় চমক দিয়েছেন কাভোলি। তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। দলের অন্দরে থাকা এই কথিত ‘নারীবিদ্বেষী’ সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। একদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা আক্রমণ এবং অন্যদিকে কাভোলি ঘোষের ইস্তফা—সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের এই লড়াই এখন রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।





