স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা খুনে মূল অভিযুক্ত এবং রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন জামিন পেলেন। সোমবার রাতে মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে পথচারীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল ইকো পার্ক থানার পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে বারাসতের সিজেএম (CJM) আদালতে তোলা হলে, সওয়াল-জবাবের পর বিচারক তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।
আইনি প্রক্রিয়ায় কী ঘটল? সোমবার রাতে গ্রেপ্তারের পর থেকেই প্রশান্ত বর্মনের আইনি ভবিষ্যৎ নিয়ে শুরু হয়েছিল জল্পনা। এদিন আদালতে পুলিশের তরফ থেকে পেশ করা তথ্যের ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব শেষে বিচারক তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। যদিও এই জামিন শুধুমাত্র মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং দুর্ঘটনার মামলার প্রেক্ষিতে পাওয়া, তবে খুনের মামলার তদন্তে এর কোনো প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
মমতার প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায়: স্বপন কামিল্যা খুনের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মমতা কামিল্যা এতদিন ধরে কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছিলেন। খুনের মামলায় অভিযুক্ত প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেপ্তারির পরই মমতা আশা করেছিলেন, এবার হয়তো ন্যায়বিচার মিলবে। কিন্তু মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তের জামিন পেয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নিহত ব্যবসায়ীর পরিবার ও স্থানীয় মহলে।
আইনি জটিলতা ও জল্পনা: স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর দীর্ঘ পাঁচ মাস প্রশান্ত বর্মন ‘নিখোঁজ’ ছিলেন। এরপর মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর ঘটনায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। খুনের মতো গুরুতর মামলার অভিযুক্ত এভাবে জামিন পাওয়ায় তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। এখন দেখার বিষয়, পুলিশ খুনের মামলার তদন্তে কতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে এবং মমতা কামিল্যার ন্যায়বিচারের দাবি কতটা বাস্তব রূপ পায়।





