দেশের জনসংখ্যার কাঠামো বা ডেমোগ্রাফিক্সে ‘অস্বাভাবিক’ পরিবর্তনের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল কেন্দ্র। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অদূর ভবিষ্যতে সম্ভাব্য জনতাত্ত্বিক সমস্যা মোকাবিলা করতে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
কমিটির মূল লক্ষ্য: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট কিছু সীমান্তবর্তী এলাকায় অস্বাভাবিক হারে জনসংখ্যার পরিবর্তনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই কমিটির কাজ হবে:
গত কয়েক দশকে জনসংখ্যার ঘনত্বের পরিবর্তনের কারণ বিশ্লেষণ করা।
সীমান্তবর্তী এলাকায় অনুপ্রবেশ বা জনতাত্ত্বিক অসামঞ্জস্যের কোনো তথ্যপ্রমাণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা।
জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক ভারসাম্যের খাতিরে সুনির্দিষ্ট রিপোর্ট জমা দেওয়া।
কেন এই পদক্ষেপ? রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের দাবি, নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে জনসংখ্যায় অসামঞ্জস্য তৈরি হলে তা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সীমান্ত এলাকা নিয়ে সরকারের কাছে একাধিক রিপোর্ট জমা পড়েছিল, যার ভিত্তিতেই এই উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিতর্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিজেপির দাবি, এটি দেশের নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, এই পদক্ষেপের আড়ালে মেরুকরণের রাজনীতি করা হচ্ছে। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক অখণ্ডতা রক্ষা করাই এই কমিটির মূল উদ্দেশ্য।
এখন এই উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তাদের প্রথম রিপোর্টে কী তথ্য তুলে ধরে, সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ





