আগামীকাল, ২৬শে মে পাঞ্জাব জুড়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভা নির্বাচন। আটটি পৌর কর্পোরেশন, ৭৬টি পৌর পরিষদ এবং ২১টি নগর পঞ্চায়েতের মোট ৩৬,৭২,৯৩২ জন ভোটার এই নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকার আগামীকাল সরকারি ছুটির ঘোষণা করেছে, যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে পারেন। আগামী ২৯শে মে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ভোটকে সমস্ত রাজনৈতিক দলের জন্য ‘সেমি-ফাইনাল’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। শাসক দল আম আদমি পার্টির (এএপি) জন্য এই লড়াই অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। নির্বাচনে মোট ৭,৫৫৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে সর্বাধিক ১,৮০১ জন প্রার্থী এএপি-র। এছাড়া কংগ্রেস ১,৫৫০, বিজেপি ১,৩১৬ এবং শিরোমণি আকালি দল ১,২৫১টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ৯৬টি আসনে লড়াই করছে বহুজন সমাজ পার্টি এবং ১,৫২৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মাঠে রয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনের ফলাফল পাঞ্জাবের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দিতে পারে। শাসক দলের সরকারবিরোধী মনোভাব যাচাইয়ের পাশাপাশি বিজেপি তাদের সাংগঠনিক শক্তি পরীক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। অন্যদিকে, কংগ্রেস এবং আকালি দলের কাছে এটি জনভিত্তি পুনরুদ্ধারের বড় চ্যালেঞ্জ। পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট স্বচ্ছ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছে। এই ভোটের ফলাফলই নির্ধারিত করবে ২০২৭ সালের মূল লড়াইয়ের আগে রাজ্যের জনমত কোন দিকে ঝুঁকে রয়েছে।





