বিশ্বজুড়ে আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে আসন্ন ‘এল নিনো’। ১৯৫০ সালের পর এটি অন্যতম শক্তিশালী ঘটনা হতে চলেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রার পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ কেবল আবহাওয়া নয়, বরং দেশের কৃষি, জলস্তর, বিদ্যুৎ এবং অর্থনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর তীব্রতা ১৯৯৭-৯৮ বা ২০১৫-১৬ সালের ‘সুপার এল নিনো’কেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ভারতের জন্য এটি বিশেষ উদ্বেগের কারণ, কারণ দেশের সিংহভাগ কৃষিকাজ ও জলের চাহিদা বর্ষার ওপর নির্ভরশীল। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভারতের বর্ষা স্বাভাবিকের চেয়ে দুর্বল থাকতে পারে, যা খরা ও ফসলহানির ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলবে। পাশাপাশি, গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে এবারের দাবদাহ বা হিটওয়েভ সাধারণের চেয়ে অনেক বেশি মারাত্মক হতে পারে।
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, এল নিনোর প্রভাবে অতীতেও একাধিক দেশে দুর্ভিক্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। যদিও আধুনিক আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা আগের চেয়ে উন্নত, তবুও অর্থনীতির ওপর এর চাপ কমানো বড় চ্যালেঞ্জ। জলসংকট ও খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতির জন্য এখন থেকেই সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।





