স্নাতকোত্তরে ভর্তির বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতর। মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই যাবতীয় ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ১ অগাস্ট থেকে জেনারেল কোর্সের স্নাতকোত্তরের ক্লাস শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্পষ্ট বলা হয়েছে, ক্লাস শুরুর আগে কোনোভাবেই পড়ুয়াদের সশরীরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডাকা যাবে না। ভর্তির আবেদন হবে সম্পূর্ণ অনলাইন পদ্ধতিতে এবং নথি স্ক্যান বা আপলোড করার জন্য কোনো ফি নেওয়া যাবে না।
সংরক্ষণ নীতিতে বড় বদল এনেছে দফতর। অধিভুক্ত কলেজগুলোর ক্ষেত্রে নিজস্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য ৮০ শতাংশ এবং অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ২০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। অন্যদিকে, ইউনিটারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এই হার যথাক্রমে ৯০ ও ১০ শতাংশ।
ইতিমধ্যে রাজ্যে স্নাতকের কেন্দ্রীয় পোর্টালে অভিন্ন ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটে থেকে সন্ধ্যা ৭টা ২০ পর্যন্ত মাত্র পাঁচ ঘণ্টায় প্রায় সাড়ে ৩৩ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। নয়া ওবিসি সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী, এখন ১৭ শতাংশের পরিবর্তে ৭ শতাংশ এবং ৬৬টি ক্যাটিগরিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যাদবপুর ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।
তবে স্নাতকোত্তর ভর্তি নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। তারা প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা তালিকা তৈরির পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু উচ্চশিক্ষা দপ্তরের সাম্প্রতিক নির্দেশে ‘মেধার ভিত্তিতে ভর্তির’ বিষয়টি স্পষ্ট করায়, প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক জটিলতা। সবমিলিয়ে ভর্তির মরসুমে তুঙ্গে কর্মতৎপরতা।





