দেশের রাজধানীর বুকে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। নিজের বাড়ি থেকেই উদ্ধার হলো দিল্লি আদালতের এক বিচারকের নিথর দেহ। শনিবার বিকেলে দক্ষিণ দিল্লির সফদরজং এনক্লেভ এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। মৃত বিচারকের নাম আমন কুমার শর্মা (৩৫)। বাথরুমের ভেতর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে বিচারবিভাগীয় ও প্রশাসনিক মহলে।
শৌচাগার থেকে উদ্ধার দেহ
পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার দুপুর পৌনে একটা নাগাদ একটি ফোন আসে স্থানীয় থানায়। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে পরিবারের এক সদস্য দাবি করেন যে, তাঁর ভাই বাড়ির শৌচাগারে আত্মঘাতী হয়েছেন। খবর পাওয়ামাত্রই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সফদরজং থানার পুলিশ। এরপর শৌচাগার থেকে বছর ৩৫-এর ওই বিচারককে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নেপথ্যে কি আত্মহত্যা?
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে অনুমান করা হচ্ছে, বিচারক আমন কুমার শর্মা সম্ভবত আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এই চরম পদক্ষেপ নিলেন, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়েও পুলিশের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
তদন্তে পুলিশ
দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত কোনো অবসাদ নাকি কর্মজীবনের কোনো চাপ এই ঘটনার পিছনে দায়ী, তা জানতে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ মহলের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা।
তরুণ এক বিচারকের এমন আকস্মিক ও রহস্যজনক প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দিল্লির বিচারবিভাগীয় স্তরে। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।





