“সব বুথে এজেন্ট বসিয়ে আসব, শওকতের গুন্ডামি চলবে না”, চ্যালেঞ্জ ছুড়ে ক্যানিংয়ে হুঙ্কার আইএসএফ প্রার্থীর

দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের শুরুতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র। জীবনতলা থানার অন্তর্গত দুর্গাপুর গোরাইআটির ১২২ ও ১২৩ নম্বর বুথে আইএসএফ-এর পোলিং এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুথ চত্বরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলাম।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে ভোট শুরু হওয়ার আগেই আইএসএফ এজেন্টদের বুথে ঢুকতে বাধা দেয় একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। অভিযোগ, এজেন্টদের রীতিমতো ধমক দিয়ে বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয়। খবর পেয়েই ওই বুথে পৌঁছান আরাবুল ইসলাম। সেখানে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তায় তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এজেন্টদের বুথে বসিয়ে দিয়ে আসেন।

তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা এবার এই কেন্দ্র ছেড়ে ভাঙড়ে প্রার্থী হলেও, ক্যানিং পূর্বে তাঁর ছায়া যে এখনও বর্তমান, সেকথা মনে করিয়ে দেন আরাবুল। তিনি বিস্ফোরক মেজাজে বলেন, “ক্যানিং পূর্বের ২৮৩টি বুথের কোনোটিতেই ভোটাররা এতদিন জানতেন না ভোট কী জিনিস। শওকত মোল্লা এখানে সন্ত্রাসের রাজত্ব চালিয়েছেন। এবার আর তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর দাপট চলবে না। আমি প্রতিটি বুথে ঘুরব এবং এজেন্ট বসিয়ে আসব।”

যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। শাসকদলের দাবি, আরাবুল ইসলাম ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছেন। তৃণমূল প্রার্থী বাহারুল ইসলামের দাবি, ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে। তবে গোরাইআটির এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যানিং পূর্বে দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বুথ চত্বরে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy