পিত্তথলি বা গলব্লাডারে পাথর হওয়া বর্তমানে অত্যন্ত সাধারণ একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। কিন্তু অনেক সময় আমরা এই সমস্যার লক্ষণগুলোকে সাধারণ অম্বল বা গ্যাসের ব্যথা ভেবে ভুল করি। সময়মতো চিকিৎসা না করালে এই পাথর পিত্তনালীতে আটকে গিয়ে জন্ডিস বা প্যানক্রিয়াটাইটিসের মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
কিভাবে বুঝবেন পাথর জমেছে? (প্রধান উপসর্গ):
পেটের ওপরের দিকে তীব্র ব্যথা: সাধারণত পেটের ডান দিকে ঠিক পাঁজরের নিচে বা মাঝ বরাবর তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। এই ব্যথা হঠাৎ শুরু হয় এবং কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
পিঠে ও কাঁধে ব্যথা: অনেক সময় গলব্লাডারের ব্যথা পিঠের দিকে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে ডান কাঁধের নিচে অস্বস্তি বোধ হয়।
খাওয়ার পর অস্বস্তি: তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর পেট ভারী লাগা, বমি ভাব বা বমি হওয়া পাথরের অন্যতম লক্ষণ।
জন্ডিসের লক্ষণ: যদি পাথর পিত্তনালীকে বাধা দেয়, তবে চোখ ও গায়ের রঙ হলুদ হতে শুরু করে এবং প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হয়।
কাঁপুনি দিয়ে জ্বর: যদি ইনফেকশন হয়ে যায়, তবে রোগীর ধুম জ্বর আসতে পারে।
করণীয়:
উপসর্গগুলো দেখা দিলেই ঘরোয়া টোটকার ওপর ভরসা না করে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং আল্ট্রাসনোগ্রাফি (USG) করিয়ে পাথরের অবস্থান নিশ্চিত করুন। সঠিক সময়ে সচেতনতাই আপনাকে বড় কোনো অস্ত্রোপচারের হাত থেকে বাঁচাতে পারে।





