২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে এবার একচুলও রেয়াত করা হবে না ফাঁকিবাজ ভোটকর্মীদের। সোমবার বোলপুরে এক হাই-ভোল্টেজ সাংবাদিক বৈঠকে বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন সাফ জানিয়ে দিলেন, ভোটের ডিউটির চিঠি পাওয়ার পর কেউ যদি অনুপস্থিত থাকেন, তবে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী সরাসরি তাঁর ‘চাকরি নিয়ে টানাটানি’ পড়ে যাবে। লোকবলের অভাব মেটাতে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত কড়া মেজাজে রয়েছে।
এদিন পুলিশ সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব ও সিআরপিএফ আধিকারিকদের পাশে নিয়ে জেলাশাসক জানান, বীরভূমে এখনও পর্যন্ত ১৫০০টি অভিযোগ জমা পড়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে অভিযোগ পাওয়ার ১০০ মিনিটের মধ্যে পদক্ষেপ করা হবে এবং ভোটের দিন সেই সময়সীমা কমিয়ে ৩০ মিনিট করা হবে। ২০২১ ও ২০২৪-এর গণ্ডগোলের এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে ‘ফ্রি, ফেয়ার ও পিসফুল’ ভোট নিশ্চিত করতে প্রশাসন কোমর বেঁধে নেমেছে। বীরভূমে আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ।





