আমাদের শরীরের প্রায় ৬০-৭০ শতাংশই জল। তাই শরীরে জলের সামান্যতম অভাব বা ‘ডিহাইড্রেশন’ হলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ বিকল হতে শুরু করে। তেষ্টা পাওয়া তো শেষ পর্যায়ের লক্ষণ, তার অনেক আগে থেকেই শরীর ছোট ছোট ইঙ্গিতের মাধ্যমে আমাদের সতর্ক করতে থাকে।
জলের ঘাটতির প্রধান লক্ষণসমূহ:
প্রস্রাবের রং পরিবর্তন: এটি সবচেয়ে সহজ উপায়। প্রস্রাবের রং যদি গাঢ় হলুদ বা অ্যাম্বার রঙের হয়, তবে বুঝবেন আপনার শরীর মারাত্মক জলশূন্যতায় ভুগছে। সুস্থ শরীরে প্রস্রাব হওয়া উচিত প্রায় বর্ণহীন।
মাথাব্যথা ও ঝিমুনি: মস্তিষ্কে জলের অভাব হলে টিস্যুগুলো সংকুচিত হয়, যার ফলে তীব্র মাথাব্যথা এবং মাথা ঘোরা শুরু হতে পারে।
মুখের দুর্গন্ধ ও শুষ্কতা: জল কম খেলে মুখে লালা (Saliva) কম তৈরি হয়। লালা না থাকলে মুখে ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যায়, যার ফলে মুখে দুর্গন্ধ তৈরি হয় এবং ঠোঁট ফেটে যায়।
মাংসপেশিতে টান: শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হলে হাত-পা বা পেটের পেশিতে হঠাৎ করে খিঁচুনী বা টান ধরতে পারে।
মিষ্টি খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা: শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি, ডিহাইড্রেশন হলে লিভারের গ্লাইকোজেন মুক্ত করতে সমস্যা হয়, যার ফলে শরীর শক্তির জন্য হুটহাট মিষ্টি বা চিনিযুক্ত খাবার খাওয়ার সংকেত পাঠায়।





