সাধারণত লোকে কুকুর বা বিড়াল পোষেন, কিন্তু কানাডার নর্দার্ন ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মনস্তত্ত্বের অধ্যাপক সোনিয়া কং-এর ক্ষেত্রে গল্পটা একদম আলাদা। তাঁর ছায়াসঙ্গী একটি মুরগি, যার নাম ‘স্যাটারডে’। শনিবারে একটি খামার থেকে উদ্ধার করেছিলেন বলেই এই নামকরণ। বর্তমানে এই মুরগিই তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ডায়াপার পরে ক্লাস:
মুরগি তো আর জায়গা বোঝে না, তাই জনসমক্ষে বা ক্লাসরুমে যাতে অপ্রস্তুত হতে না হয়, সেজন্য স্যাটারডেকে বিশেষ ধরনের ‘ডায়াপার’ পরিয়ে রাখেন সোনিয়া। ডিনারের টেবিল হোক বা গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার—সবখানেই অধ্যাপিকার কাঁধে বা পাশে দেখা মেলে এই বিশেষ সাজের মুরগির।
গভীর আবেগের টান:
সোনিয়া জানান, স্যাটারডে কেবল একটি পাখি নয়, সে তাঁর প্রতিটি আবেগ বুঝতে পারে। সোনিয়া যখন কাঁদেন বা বিষণ্ণ থাকেন, স্যাটারডে চুপচাপ পাশে এসে বসে থাকে এবং একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে, যেন সান্ত্বনা দিচ্ছে। মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক হওয়ার পাশাপাশি সোনিয়া বর্তমানে মানুষের সঙ্গে পোষ্য প্রাণীর মানসিক সংযোগ নিয়ে একটি গবেষণাও চালাচ্ছেন। তাঁর মতে, এই সম্পর্ক মানুষকে সুন্দরভাবে বাঁচতে সাহায্য করে। নিউ ইয়র্ক পোস্টে এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে পশুপ্রেমীদের নজর কেড়েছে সোনিয়া ও স্যাটারডের এই অনন্য বন্ধুত্ব।





