ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইয়ের (৮৬) মৃত্যুর খবর ছড়াতেই আজ সকাল থেকে উত্তাল হয়ে উঠেছে কাশ্মীর উপত্যকা। শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেনেইয়ের মৃত্যুর কথা ঘোষণা করার পর এবং আজ সকালে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে তা নিশ্চিত করার পরই শ্রীনগর-সহ উপত্যকার শিয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে বিক্ষোভ শুরু হয়। শ্রীনগরের ঐতিহাসিক লালচক থেকে শুরু করে বদগাম ও বন্দিপোরা— সর্বত্রই প্রতিবাদী মানুষের ঢল নেমেছে।
কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি:
-
প্রতিবাদ ও মিছিল: আজ সকাল থেকেই শ্রীনগরের লালচকে কয়েক হাজার মানুষ কালো পতাকা এবং খামেনেইয়ের ছবি হাতে মিছিল করেন। বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠে ছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল বিরোধী স্লোগান। অনেককে বুকে চাপড়ে শোক পালন (মাতম) করতেও দেখা গিয়েছে।
-
ধর্মঘট ও স্কুল-কলেজ বন্ধ: খামেনেইয়ের সম্মানে উপত্যকার বেশ কিছু জায়গায় স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট পালিত হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে প্রশাসন আগামী দুদিন (সোম ও মঙ্গলবার) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে খবর।
-
ওমর আবদুল্লার বার্তা: জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এই পরিস্থিতিতে সকলকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মানুষের শোক পালন করার অধিকার আছে, কিন্তু তা যেন শান্তিপূর্ণ হয়।
-
কড়া নিরাপত্তা: লালচক ও হাসানাবাদ-সহ স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী।
কাশ্মীরের শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে খামেনেই ছিলেন এক প্রধান আধ্যাত্মিক নেতা (Marja-e-Taqlid)। তাঁর এই আকস্মিক “শাহাদাত” বা মৃত্যু উপত্যকার মানুষের আবেগে বড় আঘাত করেছে। ডেইলিয়ান্টের পাঠকদের জন্য এই সংঘাতময় পরিস্থিতির প্রতি মুহূর্তের আপডেট থাকছে আমাদের প্রতিবেদনে।