মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এক রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের সূচনা হলো। আমেরিকার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইজরায়েলি যুদ্ধবিমানের বিধ্বংসী হামলায় খতম হলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই। তেহরানের সুরক্ষিত বাঙ্কারে যখন এই হামলা চালানো হয়, তখন সেখানে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলছিল। খামেনেইর সঙ্গেই প্রাণ হারিয়েছেন ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস-এর (IRGC) অন্তত ৭ জন শীর্ষ আধিকারিক ও জেনারেল। এই ঘটনার পর কার্যত নেতৃত্বহীন হয়ে পড়েছে ইরান।
পেন্টাগন সূত্রে খবর, এই অপারেশনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন ব্ল্যাক নাইট’। ইজরায়েলের অত্যাধুনিক স্টিলথ ফাইটার জেটগুলো ইরানের রাডার ফাঁকি দিয়ে তেহরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে এবং খামেনেইর বাসভবন লক্ষ্য করে বাঙ্কার-বাস্টার মিসাইল ছোঁড়ে। নিহতদের মধ্যে আইআরজিসি-র কুদস ফোর্সের প্রধানও রয়েছেন বলে অসমর্থিত সূত্রের দাবি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই ঘটনাকে “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়” বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী পাল্টা হামলার হুমকি দিয়ে জানিয়েছে, “শত্রুদের এই ঔদ্ধত্যের জবাব দেওয়া হবে ইজরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে দিয়ে।” খামেনেইর মৃত্যুতে তেহরানে শোকের ছায়া নামলেও, বিশ্বজুড়ে এখন আশঙ্কা একটাই—এই হামলাই কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবে মানবসভ্যতাকে?