ব্রেকিং: লালকেল্লার কাছে ব্লাস্টের ঠিক আগে ফয়েজ-ই-ইলাহী মসজিদে! ধরা পড়লেন মূল অভিযুক্ত ডাক্তার উমর

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের (Delhi Blast) ঘটনায় মূল অভিযুক্ত চিকিৎসকের গতিবিধি নিয়ে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে, বিস্ফোরণের দিন অর্থাৎ ১০ নভেম্বর, অন্যতম মূল অভিযুক্ত চিকিৎসক উমর মহম্মদ বিস্ফোরণের ঠিক আগে ওল্ড দিল্লির এক মসজিদে (Old Delhi Mosque) গেছিলেন।

তুর্কমান গেট এলাকার ফয়েজ-ই-ইলাহী মসজিদের সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় সিসিটিভি ক্যামেরায় স্পষ্ট ধরা পড়ে তাঁর মুখ। তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গেছে, ওই মসজিদে যাওয়ার পরই উমর মহম্মদ ওরফে উমর উন নবি বিস্ফোরণ ঘটান।

বিস্ফোরণের দিন সকাল থেকে মাঝরাত পর্যন্ত উমরের রুটিন

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টার পর রাজধানীর লালকেল্লা সংলগ্ন এলাকায় একটি সাদা রঙের হুন্ডাই আই২০ গাড়িতে (Hyundai i20) বিস্ফোরণ হয়েছিল। বিস্ফোরণের পর আশেপাশের বেশ কিছু গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তদন্তে জানা গেছে, বিস্ফোরণের দিন সকাল থেকে উমর রাজধানী জুড়ে নানা এলাকায় ঘোরাঘুরি করেন।

সকাল: সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে তাঁকে বাদরপুর টোলপ্লাজা পেরোতে দেখা যায়। এরপর তিনি রিং রোড হয়ে অশোক বিহারে থামেন এবং সেখানেই দুপুরের খাবার খান।

দুপুর: বিকেল ৩টা ১৯ মিনিটে উমর গাড়ি নিয়ে ঢোকেন লালকেল্লার কাছে সোনেহরি মসজিদের পার্কিং লটে। প্রায় তিন ঘণ্টা তিনি সেখানেই অবস্থান করেন এবং গাড়ি থেকে নামেননি বা গাড়ি ফাঁকা রাখেননি।

সন্ধ্যা: বিকেল ৬টা ২৮ মিনিটে তিনি পার্কিং এলাকা থেকে বেরিয়ে যান। এরপরই তিনি ফয়েজ-ই-ইলাহী মসজিদের সামনে যান এবং সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের কাছে তাঁর গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।

বিস্ফোরণের আগের রাতে কোথায় ছিলেন অভিযুক্ত?

তদন্তে উঠে এসেছে, বিস্ফোরণের আগের রাত তিনি হরিয়ানার মেওয়াট হয়ে ফিরোজপুর ঝিরকায় পৌঁছন। সেখান থেকে দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ে ধরে একটি ধাবায় রাত কাটান এবং গাড়িতেই ঘুমোন। পরদিন সকালে ফের রাজধানীতে ফিরে আসেন। পুলিশের অনুমান, তাঁর ঘনিষ্ঠ দুই সহযোগী ডা. মুজাম্মিল শাকিল এবং ডা. আদিল রাঠারের গ্রেফতারির পর থেকেই তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

বিস্ফোরণের পেছনে থাকা উদ্দেশ্য এবং ব্যবহৃত বিস্ফোরকের ধরণ নিয়ে দিল্লি পুলিশ এবং এনআইএ (NIA) যৌথভাবে গভীর তদন্ত শুরু করেছে।