অনেক সময় মদ্যপান না করলেও ফ্যাটি লিভার হতে পারে। যেহেতু লিভার প্রত্যেকের শরীরে ৫০০রও বেশি কাজ সম্পন্ন করে তাই লিভারের সমস্যা হলে শরীরও খারাপ হয়। সব সময়ে ক্লান্ত থাকা, প্রায়শই ঠাণ্ডা লেগে যাওয়া এগুলো ফ্যাটি লিভারের সাধারণ উপসর্গ হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই রোগ উপসর্গহীন হয়।
লিভার শরীরে যে কাজগুলি করে-
বিলিরুবিন, কোলেস্টেরল, হরমোন এবং ওষুধের রাসায়নিক বের করে দেয়।
পিত্ত তৈরি এবং মলত্যাগে সহায়তা
•চর্বি, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটের বিপাকগ্লাইকোজেন, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের সঞ্চয়।
•প্লাজমা প্রোটিনের সংশ্লেষণ, যেমন অ্যালবুমি।
ফ্যাটি লিভার কাকে বলে
নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার (NAFLD) যকৃৎ বা লিভারে চর্বি জমে হতে পারে। প্রথমে কোনও লক্ষণ দেখা না গেলেও পরে খিদে ও ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা, পেটে ব্যথা, লিভার বৃদ্ধির মতো লক্ষণগুলি দেখা দেয়।অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা, ইনসুলিন প্রতিরোধ, প্রিডায়াবেটিস বা টাইপ ২ ডায়াবেটিস, রক্তে বেশি মাত্রার চর্বি, বিশেষ করে ট্রাইগ্লিসারাইড ইত্যাদি ফ্যাটি লিভারের সঙ্গে সম্পর্কি
যে যে কারণে হতে পারে ফ্যাটি লিভা
১) অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
প্রচুর চিনি, কৃত্রিম ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট এগুলো লিভারের ক্ষতি করে। বিশেষ করে প্যাকেটজাত ফল, জুস ইত্যাদি একদমই ভাল
২) অতি মাত্রায় ধূমপান ও মদ্যপান
অতিমাত্রায় ধূমপান ও মদ্যপান লিভারের ক্ষতি করে। কারণ এটি লিভারের কোষ নষ্ট ও অকেজো করে দে
ফ্যাটি লিভার হলে কী করতে হবে
•বাড়িতে রান্না করা খাবার খেতে হবে।
•প্রচুর শাকসবজি খেতে হবে
•রাগি, জোয়ার, কিনোয়ার মতো দানাশস্য খেতে হবে
•অন্তত ৫০ মিনিট দিনে পাঁচ বার অ্যারোবিক এক্সারসাইজ করতে হবে
লিভারের জন্য যেগুলো ভালো
•গাজর, সিলেরি ও পালংশাকের
•অ্যাপল সিডার ভিনিগার
•ফ্ল্যাক্সসিড, আখরোট