দ্রুত আপনার হেঁচকি উঠা বন্ধের ঘরোয়া ৮টি সহজ উপায়, দেখেনিন

এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না, যারা একবার হলেও হেঁচকি ওঠার সমস্যায় ভুগেননি। কমবেশি সবাই-ই এই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। হেঁচকি যখন তখনই উঠে থাকে। তবে বেশিরভাগ সময় খেতে বসার পরে হেঁচকি ওঠে, যা খুব বিপদে ফেলে দিতে পারে।

এভাবে অনবরত হেঁচকি উঠলে খাবার শ্বাসনালীতে আটকে যেতে পারে। যা মারাত্নক বিপদ ডেকে আনতে পারে। অনেক সময় বারবার জল খাওয়ার পরও হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয় না। তবে ঘরোয়া উপায়ে কয়েকটি নিয়ম অনুসরণ করলেই খুব দ্রুত হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে। চলুন জেনে নেয়া যাক হেঁচকি ওঠা বন্ধের কিছু ঘরয়া উপায়-

>> হেঁচকির শুরুতেই এক চামচ মাখন বা চিনি খেতে পারেন। সমস্যা দ্রুত চলে যাবে।

>> হেঁচকি উঠলেই প্রথমেই এক গ্লাস জল খান বা গার্গল করুন। দ্রুত থেমে যাবে হেঁচকি।

>> বারবার হেঁচকি উঠলে জিভ বের করে আঙুল দিয়ে কিছুক্ষণ টেনে ধরুন। অদ্ভুত লাগলেও এই পদ্ধতিটি বেশ কার্যকর।

>> হেঁচকি উঠলেই লম্বা নিঃশ্বাস নিন। এরপর হাঁটুকে বুকের কাছাকাছি এনে জড়িয়ে ধরুন। কয়েক মিনিট এভাবে থাকলে দেখবেন হেঁচকি বন্ধ হয়ে যাবে।

>> কানে আঙুল দিয়ে চেপে ধরুন, যেন আপনি কিছুই শুনছেন না। অতিরিক্ত জোরে চেপে ধরবেন না। কিছুক্ষণ এভাবে থাকলেই হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে।

>> একটি কাগজের ব্যাগের মধ্যে মুখ রেখে নিঃশ্বাস নিলেও হেঁচকি বন্ধ হয়ে যায়। এতে রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে হেঁচকি থেমে যায়।

>> হেঁচকি বন্ধ করতে তাৎক্ষণিক লেবুর রসের সঙ্গে একটু আদা কুচি মিশিয়ে খেতে পারেন। দ্রুত দেখবেন হেঁচকি বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া হেঁচকি বন্ধের জন্য মুখে এক টুকরো লেবু রাখতে পারেন। এটি হেঁচকি বন্ধ করতে বেশ কার্যকর।

>> হেঁচকি উঠলে দেরি না করে খেয়ে নিন এক চামচ পিনাট বাটার। হেঁচকি দ্রুত থেমে যাবে। হাতের কাছে অ্যান্টাসিড ট্যাবলেট থাকলে হেঁচকি থামাতে এটি খেতে পারেন। এতে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম আছে, যা নার্ভগুলোকে শান্ত করে। ফলে হেঁচকি থেমে যাবে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy