গুজরাতের ভাবনগর শহরে বিয়ের নির্ধারিত সময়ের মাত্র এক ঘণ্টা আগে লিভ-ইন সঙ্গীকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। শনিবার টেকরি চক সংলগ্ন প্রভুদাস লেক এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৫ বছর বয়সী সোনি হিম্মত রাঠোরের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত সোনি এবং অভিযুক্ত সজন বরাইয়া গত দেড় বছর ধরে একসঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। উভয় পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও তাঁরা একসঙ্গে জীবনযাপন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। শনিবার রাতেই তাঁদের বিয়ের কথা ছিল।
শাড়ি ও টাকার বাদানুবাদে নৃশংসতা
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, বিয়ের মাত্র ঘণ্টাখানেক আগে শাড়ি ও টাকা নিয়ে তাঁদের মধ্যে তুমুল বাদানুবাদ শুরু হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে সজন উত্তেজিত হয়ে একটি লোহার পাইপ দিয়ে সোনিকে সজোরে আঘাত করেন। এরপর তাঁর মাথা ধরে বারবার দেওয়ালে ঠুকে দেন। ঘটনাস্থলেই তরুণীর মৃত্যু হয়। খুনের পর বাড়িঘর ভাঙচুর করে সজন বরাইয়া ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ।
ডেপুটি এসপি আর আর সিংঘল বলেন, “পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও ওই যুগল একসঙ্গে থাকত। বিয়ের দিনই শাড়ি ও টাকা নিয়ে ওদের তর্কাতর্কি হয়। সেই সময় উত্তেজিত হয়ে সজন লোহার পাইপ দিয়ে সোনিকে আঘাত করে। পরে দেওয়ালে মাথা ঠুকে খুন করে। ঘটনাস্থলেই তরুণীর মৃত্যু হয়।”
সূত্রের খবর, সজন শনিবার পাড়ার এক প্রতিবেশীর সঙ্গেও ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন। বর্তমানে পুলিশ খুনের অভিযোগ ছাড়াও অন্যান্য ধারায় মামলা রুজু করেছে এবং পলাতক অভিযুক্ত সজন বরাইয়ার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ পাঠানো হয়েছে।