কংগ্রেস প্রার্থী তথা প্রাক্তন বিধায়ক মহম্মদ মোত্তাকিন আলমের মনোনয়ন ঘিরে তৈরি হওয়া চরম অনিশ্চয়তা শেষ পর্যন্ত কাটল আদালতের হস্তক্ষেপে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কড়া নির্দেশের পর ট্রাইব্যুনাল দ্রুত মোত্তাকিনের আবেদনের নিষ্পত্তি করে। ফলে দীর্ঘ টালবাহানার পর তাঁর ভোটে লড়ার পথ প্রশস্ত হলো।
পাসপোর্ট, প্যান কার্ড, আধার থেকে শুরু করে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট— সব নথি জমা দেওয়া সত্ত্বেও ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা যুক্তিসঙ্গত অসঙ্গতির অজুহাতে মোত্তাকিনের নাম আটকে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, নথিতে তাঁর বাবার নামের বানানে সামঞ্জস্য নেই এবং বাবার সঙ্গে তাঁর বয়সের পার্থক্য প্রায় ৫০ বছর! তবে ট্রাইব্যুনাল খতিয়ে দেখে যে, ১৯৭১ সালের ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে বর্তমানের প্যান কার্ড পর্যন্ত সব নথিতে ভোটার কার্ডের নম্বর একই। ফলে নামের সামান্য অদলবদলকে বড় কোনও ত্রুটি হিসেবে গণ্য করা হয়নি।
বাবার সঙ্গে বয়সের পার্থক্য নিয়ে এআইআরও (AERO) যে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তা-ও খারিজ করে দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ, ভোটারের বাবা-মায়ের বয়স বিচার করার এক্তিয়ার কর্তৃপক্ষের নেই এবং এটি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কারণ হতে পারে না। মানিকচকের প্রাক্তন বিধায়কের এই আইনি জয় মালদহ কংগ্রেস শিবিরে স্বস্তি ফিরিয়েছে।




