বলিউডে জিরো ফিগার থেকে শুরু করে প্রেগন্যান্সি পরবর্তী মেদ ঝরানো— সবক্ষেত্রেই ট্রেন্ডসেটার করিনা কাপুর খান। বয়স চল্লিশের কোটা পার করলেও তাঁর ত্বকের জেল্লা আর এনার্জি দেখে বোঝার উপায় নেই যে তিনি দুই সন্তানের জননী। অনেকেই ভাবেন দামি কসমেটিক্সই হয়তো এর কারণ, কিন্তু করিনা বরাবরই বলে এসেছেন তাঁর সৌন্দর্যের আসল রহস্য লুকিয়ে আছে খুব সাধারণ কিছু ঘরোয়া অভ্যাস এবং শৃঙ্খলায়।
কীভাবে নিজেকে চিরতরুণ রাখছেন অভিনেত্রী? দেখে নিন তাঁর রুটিন:
১. সূর্য নমস্কার ও যোগব্যায়াম
করিনা কাপুর খানের ফিটনেসের প্রধান স্তম্ভ হলো যোগব্যায়াম। তিনি নিয়মিত অন্তত ৫০ থেকে ১০০ বার সূর্য নমস্কার করেন। করিনার মতে, যোগব্যায়াম কেবল শরীর ফিট রাখে না, এটি ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে ভেতর থেকে গ্লো আনে।
২. দেশি ডায়েটে ভরসা
করিনা কোনো ক্রাশ ডায়েটে বিশ্বাসী নন। তিনি বরাবরই বাড়ির রান্না করা সাধারণ খাবার খেতেই পছন্দ করেন। ঘি, ডাল, ভাত এবং সবুজ সবজি তাঁর প্রতিদিনের তালিকায় থাকে। তবে তিনি চিনি এবং প্রসেসড ফুড থেকে নিজেকে দূরে রাখেন।
৩. হাইড্রেটেড থাকা এবং ডাবের জল
অভিনেত্রীর উজ্জ্বল ত্বকের অন্যতম বড় কারণ হলো প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া। দিনভর পর্যাপ্ত জল খাওয়ার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত ডাবের জল পান করেন। এতে শরীরে টক্সিন জমতে পারে না এবং ত্বক হাইড্রেটেড থাকে।
৪. ঘরোয়া রূপটান
করিনা খুব বেশি মেকআপ বা কেমিক্যাল প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন না। শ্যুটিং না থাকলে তিনি ত্বককে শ্বাস নিতে দেন। তাঁর প্রিয় ফেসপ্যাক হলো মধু এবং দইয়ের মিশ্রণ। এছাড়া চন্দন ও আমলকীর গুঁড়ো দিয়ে তৈরি প্যাকও তিনি মাঝেমধ্যে ব্যবহার করেন।
৫. পর্যাপ্ত ঘুম
অভিনেত্রী মনে করেন, শরীরের মেরামতির জন্য ঘুম খুব জরুরি। তিনি রাত জেগে পার্টি করার চেয়ে সঠিক সময়ে ঘুমানো এবং ভোরে ওঠাকেই বেশি প্রাধান্য দেন। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুমই তাঁর চোখের তলায় কালি পড়তে দেয় না।
উপসংহার:
করিনা কাপুরের এই রুটিন থেকে স্পষ্ট যে, দামি ট্রিটমেন্ট নয় বরং নিয়মমাফিক জীবনযাপন এবং ইতিবাচক মানসিকতাই হলো বয়স ধরে রাখার আসল চাবিকাঠি।