মাথায় খুশকি হওয়াটা সাধারণ বিষয় হলেও, ভুরুতে খুশকি হওয়া বেশ অস্বস্তিকর। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘সেবোরিক ডার্মাটাইটিস’। এর ফলে ভুরুর ত্বকে মরা চামড়া জমে সাদা গুঁড়োর মতো দেখায় এবং ভুরুর ফলিকল দুর্বল হয়ে চুল ঝরতে শুরু করে। পার্লারে গিয়ে দামী ট্রিটমেন্ট করার আগে বাড়িতে থাকা সাধারণ কিছু উপাদানেই আপনি পেতে পারেন ঘন ও সুস্থ ভুরু।
কেন হয় ভুরুতে খুশকি?
শুষ্ক ত্বক: বিশেষ করে শীত বা বসন্তের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক ফেটে সাদা হয়ে যায়।
ফাঙ্গাল ইনফেকশন: ম্যালাসেজিয়া নামক ছত্রাকের প্রভাবে ভুরুতে খুশকি হতে পারে।
মেকআপের অবশিষ্টাংশ: আইব্রো পেন্সিল বা জেল ঠিকমতো পরিষ্কার না করলে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
ঘরোয়া সমাধানে ৩টি জাদুকরী টিপস:
১. টি-ট্রি অয়েলের জাদু:
টি-ট্রি অয়েলে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান। এক চা-চামচ নারকেল তেলের সাথে ২ ফোঁটা টি-ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। রাতে ঘুমানোর আগে তুলায় করে ভুরুতে লাগান। সকালে ধুয়ে ফেলুন। এটি খুশকি নির্মূল করে ভুরুর বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে।
২. উষ্ণ তেলের মালিশ:
বাদাম তেল বা ক্যাস্টর অয়েল সামান্য গরম করে আঙুলের ডগায় নিয়ে ভুরুতে মাসাজ করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং শুষ্ক চামড়া উঠে আসবে। ক্যাস্টর অয়েল ভুরু ঘন করতে সবথেকে বেশি কার্যকর।
৩. অ্যালোভেরা জেল:
অ্যালোভেরা জেলের ঠান্ডা পরশ ত্বকের জ্বালাভাব কমায় এবং খুশকি তাড়ায়। টাটকা অ্যালোভেরা জেল ভুরুতে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন, তারপর হালকা গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।
ভুলের মাসুল দেবেন না:
ভুরুতে খুশকি হলে নখ দিয়ে খুঁটবেন না, এতে ক্ষত তৈরি হয়ে ইনফেকশন বাড়তে পারে।
মুখ ধোয়ার সময় ভুরুও ফেসওয়াশ দিয়ে আলতো করে পরিষ্কার করুন।
অন্যের আইব্রো পেন্সিল বা মেকআপ ব্রাশ ব্যবহার করবেন না।