গরমে হাসফাঁস অবস্থা! তার ওপর যদি শরীর জুড়ে লাল লাল ঘামাচি আর র্যাশের উৎপাত শুরু হয়, তবে অশান্তির শেষ থাকে না। সারাক্ষণ চুলকানি আর জ্বালাপোড়ায় জীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। বাজারচলতি দামী পাউডার বা লোশন অনেক সময় সাময়িক আরাম দিলেও গোড়া থেকে সমস্যা মেটাতে পারে না। কিন্তু আপনার হাতের কাছেই রয়েছে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান, যা ঘামাচিকে করবে নিমেষেই ভ্যানিশ!
দেখুন ঘামাচি তাড়ানোর ৫টি জাদুকরী ঘরোয়া উপায়:
১. বরফ থেরাপি (Ice Cubes)
ঘামাচির জ্বালা কমাতে বরফ সবথেকে কার্যকর। একটি পরিষ্কার সুতির কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে আক্রান্ত স্থানে ৫-১০ মিনিট ঘষুন। এতে ত্বকের বন্ধ রোমকূপ খুলে যায় এবং প্রদাহ দ্রুত কমে।
২. মুলতানি মাটির প্রলেপ
মুলতানি মাটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল ও ঘাম শুষে নিতে ওস্তাদ। ২ চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ঘামাচির ওপর লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে শীতল রাখে এবং র্যাশ কমাতে সাহায্য করে।
৩. নিমের জাদুকরী গুণ
ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস মারতে নিমের জুড়ি নেই। এক মুঠো নিম পাতা ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে স্নান করুন। অথবা নিম পাতা বাটা ঘামাচির জায়গায় লাগিয়ে রাখুন। এটি চুলকানি বন্ধ করবে এবং ইনফেকশন ছড়াতে বাধা দেবে।
৪. বেসন ও দইয়ের প্যাক
বেসন মৃত কোষ দূর করে আর টক দই ত্বককে ঠান্ডা রাখে। এই দুটির মিশ্রণ মেখে ১৫ মিনিট পর স্নান করে নিন। ঘামাচির লালচে ভাব আর চুলকানি দূর করতে এই টোটকা দারুণ কাজ করে।
৫. অ্যালোভেরা জেল
তাজা অ্যালোভেরা জেল ঘামাচির জ্বালা মেটাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। সরাসরি পাতা থেকে জেল বের করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এটি কেবল ঘামাচি কমায় না, বরং গরমে রোদে পোড়া ত্বকেও আরাম দেয়।





