ডিম খাওয়ার পর এর খোসাটি আমরা সাধারণত ডাস্টবিনেই ফেলে দিই। কিন্তু আপনি কি জানেন, যেটিকে আপনি আবর্জনা ভাবছেন, সেটিই আপনার দৈনন্দিন জীবনের অনেক কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান হতে পারে? ক্যালসিয়াম কার্বনেটে ঠাসা ডিমের খোসা ঘরকন্নার কাজ থেকে শুরু করে বাগানের যত্নে একাই একশো।
একঝলকে দেখে নিন ডিমের খোসার বিশেষ কিছু ব্যবহার:
গাছের জাদুকরী সার: ডিমের খোসায় প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে। খোসাগুলো গুঁড়ো করে টবের মাটিতে মিশিয়ে দিন। এটি গাছের গোড়া শক্ত করতে এবং বিশেষ করে টমেটো বা লঙ্কা গাছের বৃদ্ধিতে অব্যর্থ সারের কাজ করে।
বাসনপত্রের জেদি দাগ দূর করতে: কড়াই বা প্যানে পোড়া দাগ লেগেছে? ডিমের খোসা গুঁড়ো করে সামান্য সাবান জলের সাথে মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করুন। নিমিষেই বাসন হবে নতুনের মতো ঝকঝকে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে: ডিমের খোসার গুঁড়োর সাথে সামান্য ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে মুখে ফেসপ্যাক হিসেবে লাগান। এটি ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে ত্বককে টানটান ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
পোকা-মাকড় তাড়াতে: বাগানে বা ঘরের কোণে পিঁপড়ে ও শামুকের উপদ্রব? সেখানে ডিমের খোসার গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন। এর ধারালো কণা ও গন্ধের কারণে পোকা-মাকড় দূরে পালায়।
কফির তিতকুটে ভাব কমাতে: যারা কফি খেতে ভালোবাসেন কিন্তু অতিরিক্ত তিতকুটে ভাব পছন্দ করেন না, তারা কফি তৈরির সময় সামান্য পরিষ্কার ডিমের খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি কফির স্বাদকে আরও মোলায়েম করে তোলে।
পাখির খাবার হিসেবে: আপনার বাড়িতে যদি পোষা পাখি থাকে, তবে ডিমের খোসা সেদ্ধ করে গুঁড়ো করে তাদের খাবারের সাথে দিতে পারেন। এটি পাখিদের শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে।
প্রয়োজনীয় টিপস: যেকোনো কাজে ব্যবহারের আগে ডিমের খোসাগুলো গরম জলে ভালো করে ধুয়ে কড়া রোদে শুকিয়ে নেওয়া জরুরি। এতে জীবাণু সংক্রমণের ভয় থাকে না।





