শিশুকে ডায়রিয়া থেকে বাঁচাতে চান? জেনে নিন পানিশূন্যতা রোধের জাদুকরী টিপস

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে শিশুদের ডায়রিয়ার প্রকোপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং দূষিত খাবার ও পানির কারণে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সংক্রমণে শিশুরা দ্রুত পানিশূন্যতার শিকার হয়। নবজাতক ও ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

ডায়রিয়ার মোকাবিলায় সর্বপ্রথম কাজ হলো শরীরের হারানো তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট পূরণ করা। শিশুকে নিয়মিত ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন (ওরস্যালাইন) দিন। শিশু বমি করলে তাকে অল্প অল্প করে ঘন ঘন পান করান। অনেক অভিভাবক ডায়রিয়া হলে শিশুকে খাবার দেওয়া বন্ধ করে দেন, যা একেবারেই ভুল। সহজে হজম হয় এমন খাবার যেমন- ভাত, খিচুড়ি, কলা এবং দই খাওয়ানো অব্যাহত রাখতে হবে। ডায়রিয়ার সময় পর্যাপ্ত বিশ্রামের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। ডায়াপার পরিবর্তন বা খাবার তৈরির আগে বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া আবশ্যক।

তবে কিছু ক্ষেত্রে দেরি না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। যদি শিশুর প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়, মুখ শুকিয়ে যায়, মলের সাথে রক্ত বা শ্লেষ্মা যায়, অথবা ৪৮-৭২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ডায়রিয়া স্থায়ী হয়, তবে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সামান্য সমস্যা হলেও ঝুঁকি না নিয়ে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। মনে রাখবেন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতাই পারে আপনার শিশুকে এই মরসুমে সুস্থ রাখতে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy