বয়স বাড়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কিন্তু আমরা অনেকেই ভুলে যাই যে ২০ বছর বয়সের হজম ক্ষমতা আর ৫০ বছরের শরীরের চাহিদা এক নয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বিপাক হার বা মেটাবলিজম কমতে শুরু করে, হাড়ের ঘনত্ব কমে এবং পেশি শিথিল হয়ে যায়। তাই এই সময়ে ‘যা ইচ্ছা তাই’ খাওয়ার অভ্যাস ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ। সুস্থভাবে বার্ধক্যকে বরণ করতে চাইলে আপনার খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি।
কী খাবেন?
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D: বয়স বাড়লে হাড়ের ক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিস একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রতিদিনের তালিকায় দুধ, দই, পনির এবং সবুজ শাকসবজি রাখুন।
উচ্চমানের প্রোটিন: পেশির ক্ষয় রোধ করতে চর্বিহীন মাংস, ডিমের সাদা অংশ, ডাল এবং সয়াবিন অত্যন্ত কার্যকর।
ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং হার্ট ভালো রাখতে ওটস, ব্রাউন রাইস এবং প্রচুর ফলমূল খান।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে এবং জয়েন্টের ব্যথা কমাতে সামুদ্রিক মাছ ও আখরোট দারুণ উপকারী।
কী খাবেন না?
অতিরিক্ত লবণ: বেশি লবণ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়, যা থেকে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।
মিষ্টি ও রিফাইনড সুগার: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও ওজন কমাতে চিনিযুক্ত পানীয় এবং মিষ্টি থেকে দূরে থাকুন।
স্যাচুরেটেড ফ্যাট: ভাজাভুজি, ডালডা এবং অতিরিক্ত মাখন রক্তে কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়, যা ধমনীর ক্ষতি করে।
সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত জল পান করুন এবং দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন। মনে রাখবেন, সঠিক পুষ্টিই আপনার বয়সের সংখ্যাকে কেবল একটি সংখ্যায় পরিণত করতে পারে।





