ব্রেকআপের পর নতুন সম্পর্কে এগোনোর চেষ্টা করছেন, কিন্তু মনের কোণায় প্রাক্তনের স্মৃতি এখনও রয়ে গেছে। ফেসবুক ব্লক করলেও লুকিয়ে লুকিয়ে তার আপডেট নেওয়া বন্ধ করতে পারছেন না। সে কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে দেখা করছে—সবকিছুতেই নজর রাখতে ইচ্ছে করে।
স্মৃতির জালে আটকে থাকা
মুখে যতই বলুন, “যা চলে গেছে, তা নিয়ে ভাবার দরকার নেই”, মন কি সত্যিই তা মেনে নেয়? তাই তো পুরনো ছবিগুলো আবারও দেখতে ইচ্ছে করে, পুরনো এসএমএস ঘাঁটতে ইচ্ছে করে। এমনকি তার নতুন ছবিতে অপরিচিত কাউকে দেখলে খুঁটিয়ে দেখতে থাকেন—কোনো নতুন সম্পর্ক গড়ে তুলছে কিনা!
বয়সভেদে প্রবণতা বেশি
গবেষণায় দেখা গেছে, ১৬-২৪ বছর বয়সীদের মধ্যেই এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। এরা যেমন প্রেমের ঘোষণা দিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেরি করে না, তেমনই ব্রেকআপের পর কষ্ট শেয়ার করতেও ভোলে না।
ফেসবুকের চক্করে প্রেম হারানো!
শুধু তরুণরাই নন, ৬৮% মানুষ তাদের প্রাক্তনদের সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টক করেন। আর ৭৫% মনে করেন, অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারের কারণেই তাদের সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে।
ওয়াশরুমেও ফোন নিয়ে যাওয়া? বন্ধ করুন এখনই!
অনেকে ব্রেকআপের পর ফোন নিয়ে ওয়াশরুমে সময় কাটান—যেন সোশ্যাল মিডিয়া চেক করা ছাড়া আর কিছু করার নেই! এটি স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনই মানসিক চাপও বাড়ায়। এখনই এ অভ্যাস বন্ধ করুন।
প্রাক্তনের জীবন নিয়ে অতিরিক্ত ভাবনা আপনাকেই পিছিয়ে দেবে। নিজের দিকে মনোযোগ দিন, নতুন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যান!