আপনি কি লিপস্টিক, লিপগ্লস পরার এই বিশেষ তথ্য গুলো জানতেন? না জানলে জেনেনিন

সাজ শেষ হয়ে গেলেই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে লিপস্টিক লাগাতে শুরু করে দেবেন না। প্রথমে পুরোনো নরম টুথব্রাশ দিয়ে আলতো করে ঠোঁটে ঘষুন। এতে ঝরে যাবে মরা কোষ। তারপর লাগান লিপ বাম। ব্যবহার করতে পারেন লিপ প্রাইমার-ও। তাহলে লিপস্টিক অনেক ক্ষণ ঠিকঠাক থাকবে। মানতে হবে আরো নিয়ম। যেমন:

>>ঠোঁটের স্বাভাবিক রং বা লিপটোন যদি সব জায়গায় সমান না হয়, অর্থাৎ ঠোঁটে যদি কালচে ছোপ পড়ে থাকে, তা হলে কনসিলার দিয়ে সেটা ঢেকে দিতে পারেন। এরপর দিন কমপ্যাক্ট। যাতে লিপস্টিক দীর্ঘক্ষণ অটুট থাকে।

>>প্রথমে লাইনার দিয়ে ভাল করে ঠোঁটের সীমারেখা এঁকে নিন। কিউপিডস বো বা নাকের নীচে ঠোঁটের ‘ভি’-এর মতো অংশ আঁকার সময় সতর্ক থাকুন। লিপস্টিকের সৌন্দর্য অনেকটাই নির্ভর করে ঠোঁটের কন্ট্যুরের উপর। তাই ঠোঁটের বর্ডার আঁকার সময় সতর্ক থাকুন। আউটার লাইন যাতে ছড়িয়ে না যায়, খেয়াল রাখুন সে দিকে।

>>লিকুইড বা স্টিক, ম্যাট বা গ্লসি, যে রকম লিপস্টিক-ই ব্যবহার করুন না কেন, লাগাতে শুরু করুন ঠোঁটের মাঝখান থেকে। পুরো ঠোঁটে সমান ভাবে লাগিয়ে কোণার অংশগুলোতেও লাগান।

>>ঠোঁট যদি শুকনো হয়, তা হলে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার না করাই ভালো। বেছে নিন এমন লিপস্টিক, যা আপনার ঠোঁটকে আর্দ্র রাখবে। পাতলা, আকারে ছোট ঠোঁট হলে ব্যবহার করুন হাল্কা রং। গাঢ় শেডে ঠোঁট আরো ছোট দেখাবে। ঠোঁট চওড়া, মোটা হলে সঙ্গে রাখুন হাল্কা শেডের লিপস্টিক।

>>সব শেষে কনসিলার ব্রাশ দিয়ে মুছে নিন ঠোঁটের চারপাশে বেরিয়ে থাকা লিপস্টিকের চিহ্ন। ইচ্ছে হলে, বুলিয়ে নিন লিপগ্লসের ব্রাশ। লিপস্টিক গাঢ় হলে লিপলাইনার হবে হাল্কা। আর হাল্কা শেডের লিপস্টিকের জন্য আদর্শ ডার্ক শেডের লিপলাইনার।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy