বাজারভর্তি ফল, কিন্তু গরমের দুপুরে কোনটা আপনার রক্ষাকবচ? ভুল করলেই বিপদ!

প্রকৃতির চেয়ে বড়ো খেয়াল কেউ রাখে না! ভেবে দেখুন, শীতকালে আপনার জন্য এমন ফল আর সবজির ভান্ডার সাজিয়ে রাখে প্রকৃতি, যা শরীরে উষ্ণতা জোগায়। গরমের দিনে হয় ঠিক উলটো। লাউ, কুমড়ো, পটল, ঝিঙের মধ্যে থাকে প্রচুর জল। তা আপনাকে ঠান্ডা রাখে, আর্দ্র রাখে। সবচেয়ে বড়ো দান হচ্ছে গরমের ফল। আম, জাম, লিচু, বেল, শসা আপনার শরীরে জোগান দেয় খনিজ, ইলেকট্রোলাইটের। ফলে সারাদিন ঘাম হয়ে যা হারাচ্ছেন, তা আবার ফিরে আসে।

আম
আমকে এদেশে এমনিই ফলের রাজা বলা হয় না! আমে প্রচুর ভিটামিন এ আর সি থাকে। সেই সঙ্গে থাকে একান্ত প্রয়োজনীয় আলফা ও বিটা ক্যারোটিনের মতো ফ্ল্যাভোনয়েড। তা আপনার চোখের দৃষ্টি ভালো রাখতে সাহায্য করে। আমে পটাশিয়াম থাকে। শরীরে তরলের সাম্য বজায় রাখতে পটাশিয়াম খুব প্রয়োজনীয়।

কালোজাম
কালোজাম ডায়াবেটিক পেশেন্টদের জন্য খুব ভালো। তার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন সি, থিয়ামিন, রাইবোফ্লাভিন সমৃদ্ধ জাম খেলে পেট ভালো থাকে। দাঁত আর মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও কালোজাম অপরিহার্য।

পাকা বেল
পেট ঠান্ডা রাখতে পাকা বেলের কোনও জুড়ি নেই। এর ট্যানিন সারায় ক্রনিক পেট খারাপের সমস্যা। কমায় গ্যাসট্রিক আলসার। এটি অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি মাইক্রোবায়ালও বটে। বেলের শাঁস কমায় কনস্টিপেশনের আশঙ্কা।

লিচু
লিচুতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, সেই সঙ্গে থাকে প্রচুর ফাইবার। সেই সঙ্গে কপার আর ফসফরাসও থাকে প্রচুর পরিমাণে। ত্বক আর চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে লিচু। সেই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করে রক্তে শর্করার পরিমাণ।

শসা
ভিটামিন এ, বি, সি, কে, ম্যাঙ্গানিজ, তামা, আর পটাশিয়াম থাকে শসায়। সেই সঙ্গে শসায় জলের পরিমাণও অনেক বেশি। যাঁরা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাঁদের পেট ভরানোর কাজেও শসা খুবই কার্যকর। শসা ত্বকের জন্যেও খুব ভালো।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy