সাম্প্রতিক পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক যখন তলানিতে, ঠিক তখনই এশিয়া কাপে মুখোমুখি হতে চলেছে এই দুই দল। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচ বাতিলের জন্য শীর্ষ আদালতে একটি আবেদন জমা পড়েছিল, যা আদালত সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে।
আইনের চার ছাত্রের একটি দল বিচারপতি জে কে মাহেশ্বরী এবং বিজয় বিষ্ণোইয়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই ম্যাচটি জরুরি ভিত্তিতে বাতিলের আবেদন করে। তাঁদের যুক্তি ছিল, যখন দেশের সাধারণ মানুষ জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারাচ্ছে, তখন পাকিস্তানের মতো সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া দেশের সঙ্গে ক্রিকেট খেলা দেশের ভাবাবেগকে আঘাত করে।
শীর্ষ আদালত এই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলে, “ভারত-পাক ম্যাচ বাতিল করার প্রয়োজনীয়তা কীসের? এটা নিছক একটা খেলা। হতে দাও।” বিচারপতিরা আরও বলেন, “রবিবার ম্যাচ। এ বিষয়ে আমরা কীই বা করতে পারি? হতে দাও। ম্যাচটা হওয়া উচিত।”
এর আগে ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অফ লেজেন্ডস ২০২৫’ টুর্নামেন্টে শিখর ধাওয়ান এবং হরভজন সিংয়ের মতো ক্রিকেটাররা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে অস্বীকার করেছিলেন। এর পর অনেকেই ভেবেছিলেন এশিয়া কাপেও ভারত নাও খেলতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক গত মাসে একটি নতুন নীতি ঘোষণা করে। সেখানে বলা হয়, ভারত এবং পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে না, কিন্তু আন্তর্জাতিক অথবা বহুজাতিক ইভেন্টে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলতে পারবে।
আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এই বহুল প্রত্যাশিত ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।