মহাযুদ্ধের আগে মোহনবাগান শিবিরে অস্বস্তি! জাতীয় দলের তারকাদের নিয়ে কী বড় কৌশল নিলেন হাবাস?

আইএফএ শিল্ড ফাইনালের আগে কলকাতা ডার্বির চেনা উত্তাপ এখন তুঙ্গে। সৌজন্যের করমর্দন থাকলেও দুই হেভিওয়েট কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস এবং প্যানাগিওটিস ডিম্পেরিসের শরীরী ভাষায় একে অপরকে দেখে নেওয়ার বার্তা স্পষ্ট। ভারতীয় ফুটবলে এক দশকের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় পাকাপোক্ত হাবাসের লক্ষ্য মরশুমের দ্বিতীয় সর্বভারতীয় ট্রফি ঘরে তোলা। অন্যদিকে, ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ১-৪ গোলে হারের ধাক্কা সামলে শিল্ড জিতে সবুজ-মেরুন সমর্থকদের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করাই নবাগত গ্রিক কোচ ডিম্পেরিসের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে আইএসএল ও এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-টু’য়ের কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে দুই দলই ডার্বির এই অতিরিক্ত ধকল নিয়ে কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে।
সাংবাদিক বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কোচ হাবাস সাফ জানিয়েছেন, ফাইনালের জন্য তাঁর দল শতভাগ প্রস্তুত। তবে জাতীয় দল থেকে ফেরা আনোয়ার আলি, এডমুন্ড লালরিনডিকা ও জয় গুপ্তাদের মতো ফুটবলারদের মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দলের কৌশলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ। কোচ চান ৯০ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচের ফয়সালা করতে। অন্যদিকে, মোহনবাগান কোচ ডিম্পেরিস প্রতিপক্ষকে নিয়ে খুব একটা মাথা না ঘামিয়ে নিজের দলের পারফরম্যান্সের ওপর জোর দিচ্ছেন। সাহাল আব্দুল সামাদ, মনবীর সিংদের মতো ফুটবলাররা জাতীয় শিবিরের ধকল কাটিয়ে যোগ দিলেও, দলের ধারাবাহিকতা ও আক্রমণভাগে সুযোগ নষ্টের সমস্যা নিয়ে কিছুটা চিন্তিত বাগান শিবির। জেমির চোট নিয়েও ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে।