উত্তরপ্রদেশের বিজনোর জেলায় পূর্ব গঙ্গা খাল প্রকল্পের জন্য ১,৫০০ কোটি টাকার বিশাল বাজেট বরাদ্দ করা হলেও, বাস্তবে খালের জলস্তর শূন্য। প্রখর দাবদাহে কৃষকদের জমি যখন ফেটে চৌচির, তখন খালের অন্দরে জলের বদলে শোভা পাচ্ছে আগাছা আর ঝোপঝাড়। স্থানীয় কৃষক সংগঠনগুলোর অভিযোগ, প্রতি বছর পলি পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে কোটি কোটি টাকা সরকারি তহবিল লুট হচ্ছে, কিন্তু ফসলের মাঠে জল পৌঁছাচ্ছে না।
সেচ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী শারদ কুমার সিংয়ের নেতৃত্বাধীন এই অব্যবস্থায় কৃষকদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটেছে। যেখানে ভূগর্ভস্থ জলস্তর নিচে নেমে যাওয়ায় নলকূপগুলো অকার্যকর হয়ে পড়েছে, সেখানে সেচ বিভাগ কারিগরি অজুহাত দিয়ে জল ছাড়তে গড়িমসি করছে। কৃষক নেতা দিগম্বর সিং হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দ্রুত জল সরবরাহ শুরু না হলে মোরাদাবাদ থেকে বিজনোর পর্যন্ত সেচ দপ্তরের কার্যালয়গুলো ঘেরাও করা হবে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সদর বিধায়কের প্রতিনিধি ও বিজেপি নেত্রী ঐশ্বর্য মৌসুম চৌধুরী স্বয়ং সেচ ও জলবিদ্যুৎ মন্ত্রী স্বতন্ত্র দেব সিংয়ের দ্বারস্থ হন। মন্ত্রীর নির্দেশের পর এখন ইএনসি এবং প্রধান প্রকৌশলীকে দ্রুত জল ছাড়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হরিনদ্বার গঙ্গায় ১২,০০০ কিউসেক জল থাকা সত্ত্বেও কেন খালের গেট বন্ধ রাখা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনিক মহলে। এখন দেখার বিষয়, মন্ত্রীর নির্দেশে কি আদৌ কৃষকের খেত জল পায়, নাকি সবটাই আবার সরকারি নথিতেই সীমাবদ্ধ থাকে।





