রাজস্থানের তীব্র জল সংকট মোকাবিলায় এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী ভজন লাল শর্মা। টঙ্কের বিসালপুর বাঁধ থেকে তিনি শুরু করলেন ‘বন্দে গঙ্গা জল সংরক্ষণ গণ-অভিযান’। এই অভিযানটি রাজস্থানের প্রতিটি জেলার মানুষের জন্য এক নতুন আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিসালদেব মন্দিরে পূজার্চনার পর মুখ্যমন্ত্রী ইলেকট্রিক বাসে চড়ে পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিয়ে এই মহাযাত্রার সূচনা করেন। ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পর্যন্ত এই অভিযান রাজ্যজুড়ে পুরোদমে চলবে।
এই মেগা পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হলো জনঅংশগ্রহণ এবং বিজ্ঞানসম্মত জল ব্যবস্থাপনা। অভিযানের আওতায় রাজ্যজুড়ে কুয়ো, পুকুর ও ধাপযুক্ত জলাশয় পুনরুদ্ধারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করা হবে। এছাড়াও জল সংরক্ষণের গুরুত্ব বোঝাতে প্রতিটি গ্রাম ও শহরে আয়োজন করা হবে সেমিনার ও জল-সমাবেশ। উল্লেখযোগ্যভাবে, জল সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের ‘জল গৌরব সম্মান’ প্রদানের মাধ্যমে উৎসাহিত করবে সরকার।
মুখ্যমন্ত্রী ইসারদা ও গালওয়া বাঁধের আকাশপথে সমীক্ষা চালিয়ে জল পরিস্থিতির সঠিক মূল্যায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা সঞ্চয় করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। জল সরবরাহ মন্ত্রী কানহাইয়ালাল চৌধুরী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এদিন রাজ্যের মানুষ জল সংরক্ষণের শপথ নিয়েছেন। শুষ্ক রাজস্থানের মাটিতে সরকারের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টা জল সংকট নিরসনে কতটা সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।





