শহর বা শহরতলিতে আকাশছোঁয়া জমির দাম। বর্তমান যুগে পকেটের নগদ টাকায় আস্ত একটা ফ্ল্যাট বা বাড়ি কেনা মধ্যবিত্তের কাছে কার্যত দিবাস্বপ্ন। ফলে একমাত্র ভরসা ‘হোম লোন’। কিন্তু সঠিক তথ্যের অভাবে লোন নিতে গিয়ে অনেকেই ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েন। সামান্য কিছু ভুলের কারণে গচ্চা যায় লক্ষ লক্ষ টাকা।
লোন নেওয়ার আগে কোন ভুলগুলি এড়িয়ে চলবেন? রইল জরুরি টিপস:
১. সাধ্যের অতিরিক্ত ঋণ নেবেন না: ব্যাঙ্ক আপনার প্রোফাইল দেখে মোটা অঙ্কের লোন অফার করতেই পারে। কিন্তু তার মানেই সেই পুরো টাকাটা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। নিজের মাসিক আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাজেট নির্ধারণ করুন। মনে রাখবেন, আয়ের বড় অংশ যদি ইএমআই (EMI) দিতেই চলে যায়, তবে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
২. প্রসেসিং ফি-তে নজর দিন: অনেকেই লোন নেওয়ার সময় ‘প্রসেসিং ফি’-এর কথা ভুলে যান। লোন পাসের সময় এককালীন অনেকটা টাকা এই খাতে চলে যায়। অনেক ব্যাঙ্ক উৎসবের মরশুমে এই ফি মকুব করে। তাই লোন নেওয়ার আগে এই লুকানো খরচগুলো ভালো করে যাচাই করে নিন।
৩. একাধিক ব্যাঙ্কের তুলনা করুন: শুধুমাত্র নিজের স্যালারি অ্যাকাউন্ট যে ব্যাঙ্কে আছে, সেখান থেকেই লোন নিতে হবে এমন কোনো মানে নেই। সুদের হার এবং শর্তাবলী যাচাই করতে অন্তত ৩-৪টি ব্যাঙ্কে কথা বলুন। সামান্য ০.৫% সুদের ফারাকও দীর্ঘমেয়াদে আপনার কয়েক লক্ষ টাকা বাঁচিয়ে দিতে পারে।
৪. টেনিওর বা মেয়াদের ফাঁদ: ইএমআই কম রাখার জন্য অনেকেই ২০ বা ৩০ বছরের দীর্ঘ মেয়াদে লোন নেন। মনে রাখবেন, লোন যত দীর্ঘ হবে, আপনাকে তত বেশি সুদ গুনতে হবে। তাই চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব কম সময়ের জন্য লোন নিতে। এতে ইএমআই সামান্য বেশি হলেও মোট সুদের পরিমাণে আপনি লাভবান হবেন।





