সাধারণত সরকারি কাজের পুরস্কার হিসেবে মেলে শংসাপত্র বা বিশেষ ইনক্রিমেন্ট। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের কয়েকটি জেলা প্রশাসন এবার সেই ধারণা ভেঙে দিল। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনে (SIR) ‘অসাধারণ’ সাফল্য দেখানো বুথ-স্তরের কর্মকর্তাদের (BLO) উৎসাহিত করতে ঘোষণা করা হলো একগুচ্ছ আকর্ষণীয় পুরস্কার— যার মধ্যে রয়েছে বাঘ সাফারি, সিনেমা দেখা, এমনকি কানহা ও বান্ধবগড়ে হেলিকপ্টারে আনন্দভ্রমণ!
জেলা প্রশাসনের এই অভিনব উদ্যোগ রাজ্যজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে।
🥇 জব্বলপুরে ৭,৭০০ ফর্ম আপলোড করে ‘সুপার BLO’
জব্বলপুর জেলায় এই বিশেষ পুরস্কারের প্রথম দাবিদার হলেন স্নেহলতা প্যাটেল। প্রথম BLO সুপারভাইজার হিসেবে তিনি তার আওতাধীন সব বুথে ১০০% ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন করেছেন। পানগর বিধানসভা এলাকা থেকে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই তিনি রেকর্ড সংখ্যক ৭,৭০৬টি ভোটার ফর্ম আপলোড করে সবাইকে চমকে দিয়েছেন।
জেলা কালেক্টর রাঘবেন্দ্র সিং স্নেহলতার এই নিষ্ঠাকে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী হেলি ট্যুরিজম সার্ভিসের মাধ্যমে কানহা এবং বান্ধবগড় জাতীয় উদ্যানে হেলিকপ্টারে আনন্দযাত্রার সুযোগ দিয়েছেন।
পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত স্নেহলতা জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাকি BLO-দেরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
🐅 রেওয়ায় ১২ জন BLO পেলেন বাঘ সাফারি ও সিনেমা
জব্বলপুরের মতোই রেওয়া জেলাতেও দেখা গেছে ব্যতিক্রমী সাফল্য। রেওয়ায় ১২ জন BLO নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার ১৪ দিন আগেই ১০০% ভোটার গণনা-পত্র ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন করেছেন।
রেওয়া জেলা কালেক্টর প্রতিভা পাল জানান, এই ১২ জন BLO-কে পুরস্কার হিসেবে শংসাপত্র, পরিবারের সঙ্গে মুকুন্দপুর হোয়াইট টাইগার সাফারি ভ্রমণ এবং সিনেমা দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই ১২ জন বিজয়ী সেমারিয়া, সিরমাউর, হুজুর এবং মাঙ্গাওয়ান বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত।
কালেক্টর প্রতিভা পাল বলেন, “এই BLO-রা যে কৃতিত্ব দেখিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে অন্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ভালো কাজের এমন স্বীকৃতি অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।”
সেনা সূত্র মতে, যেহেতু পাক জঙ্গিরা বসন্তগড়কে অনুপ্রবেশের পথ হিসেবে ব্যবহার করছে, তাই এই এলাকা সম্পর্কে সেনাবাহিনী যথেষ্ট সজাগ।