অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং তাঁর স্ত্রীর দায়ের করা এফআইআর মামলায় বড়সড় আইনি ধাক্কা খেলেন কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্র পবন খেরা। শুক্রবার গুয়াহাটি হাইকোর্ট তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। এর ফলে কংগ্রেসের এই হেভিওয়েট নেতার গ্রেফতারির সম্ভাবনা এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গেল।
ঘটনার সূত্রপাত কী নিয়ে? অসম বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী রিণিকি ভূঞা শর্মার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন পবন খেরা। তাঁর দাবি ছিল, রিণিকির কাছে ভারত ছাড়াও আরও তিনটি দেশের পাসপোর্ট রয়েছে এবং দুবাইতে তাঁর নামে হাজার হাজার কোটি টাকার বেনামি সম্পত্তি আছে, যা নির্বাচনী হলফনামায় গোপন করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পবনের নামে এফআইআর করেন রিণিকি।
আদালতে আইনি লড়াই পবন খেরা এর আগে তেলঙ্গানা হাইকোর্ট থেকে এক সপ্তাহের ‘ট্রানজিট জামিন’ পেয়েছিলেন। কিন্তু অসম পুলিশ সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলে শীর্ষ আদালত সেই জামিনের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে। এরপর পবন খেরা গুয়াহাটি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। শুক্রবার বিচারপতি পার্থজ্যোতি সাইকিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ দীর্ঘ শুনানির পর তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয়। কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি পবনের হয়ে সওয়াল করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
অসম পুলিশের সক্রিয়তা ইতিমধ্যেই পবন খেরার সন্ধানে দিল্লিতে তল্লাশি চালিয়েছে অসম পুলিশের একটি দল। সেই সময় তিনি বাড়িতে না থাকলেও, এখন হাইকোর্টের রক্ষাকবচ সরে যাওয়ায় পুলিশের হাতে তাঁর ধরা পড়া কেবল সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও পবন খেরার এই লড়াই এখন আর শুধু নির্বাচনী ময়দানে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা পৌঁছে গিয়েছে আদালতের কাঠগড়ায়। বিধানসভা ভোটের মুখে এই ঘটনা কংগ্রেসের জন্য বড় অস্ব





