পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনাকে নিজেদের হেফাজতে পেতে মরিয়া বাংলাদেশ। দিল্লিতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক আবেদন জানাল তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন বিএনপি সরকার। ইউনুস জমানার পর এই প্রথম ভারতের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সরাসরি এই প্রসঙ্গের উত্থাপন করলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছেন তারেক রহমান। তাঁর আগমনে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করলেও, হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু এখন দিল্লির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। উল্লেখ্য, ইউনুস সরকারের আমলে হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছিল সেদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। অভ্যন্তরীণ রাজনীতির চাপ বজায় রাখতে এবার সেই একই দাবিকে হাতিয়ার করেছে বিএনপি সরকার। পাশাপাশি আওয়ামী লিগ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তে নতুন করে সিলমোহর দিয়েছে বাংলাদেশের সংসদ।
তবে কেবল কূটনীতি নয়, আলোচনার টেবিলে ছিল জ্বালানি সহযোগিতাও। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গে বৈঠকে ঢাকাকে আরও বেশি ডিজেল দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন খলিলুর রহমান। ভারত ইতিমধ্যেই একাধিক দফায় ডিজেল সরবরাহ করলেও, অভ্যন্তরীণ চাহিদা খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে দিল্লি। এখন প্রশ্ন হলো, নতুন বন্ধুত্বের খাতিরে কি হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে ভারত? নাকি দিল্লির আশ্রয়েই থাকবেন তিনি? নজর রাখছে কূটনৈতিক মহল





