সেলিমের ফোনে মিম-এর সাড়া? জোটের নেশায় ‘ভিখারি’ হয়ে গেল সিপিএম! চরম খোঁচা তৃণমূলের

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই জট পাকাচ্ছে বাংলার জোট রাজনীতি। একসময়ের দাপুটে বামফ্রন্ট কি এখন ছোট ছোট দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল? আলিমুদ্দিন স্ট্রিটকে ঘিরে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। কংগ্রেসের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর এবার মিম (AIMIM) এবং হুমায়ুন কবীরের দলের সঙ্গে সিপিএমের মাখামাখি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মিম-এর বড় দাবি: সিপিএমের অস্বস্তি বাড়িয়ে মিম-এর রাজ্য সভাপতি ইমরান সোলাঙ্কি দাবি করেছেন, সিপিএমের পক্ষ থেকে তাঁদের কাছে ফোন গিয়েছিল এবং তাঁরা বৈঠকে বসতে রাজি। যদিও সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, “রাম-শ্যাম-যদু-মধু যে যা বলবে, তারই উত্তর দিতে হবে এমন কোনো মানে নেই।”

নওশাদ ও হুমায়ুনের চাপ: অন্যদিকে, আইএসএফ (ISF) নেতা নওশাদ সিদ্দিকি এবার ৫০টি আসনের দাবিতে অনড়। পাল্লা দিয়ে তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর দাবি করেছেন ১৩৫টি আসন। জোট না হলে ১৮২টি আসনে একলা লড়ার হুমকিও দিয়েছেন তিনি। শরিক দল ফরওয়ার্ড ব্লক আবার আইএসএফ-কে অতিরিক্ত জমি ছাড়তে নারাজ। ফলে জোটের জট ছাড়াতে গিয়ে কার্যত দিশেহারা মহম্মদ সেলিম।

তৃণমূলের তীব্র কটাক্ষ: সিপিএমের এই অবস্থা দেখে তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “সিপিএমের অবস্থা এখন রাস্তার ভিখারির থেকেও খারাপ। ওরা সবার দরজায় দরজায় ভিক্ষা করতে যাচ্ছে।” সব মিলিয়ে ভোটের আগে বামেদের জোট-তত্ত্ব এখন বঙ্গ রাজনীতির সবথেকে বড় সার্কাসে পরিণত হয়েছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy