গত ৪ জুন রাতে আসানসোল দুর্গাপুরের কুলটি থানার অন্তর্গত সীতারামপুর-এথোড়া রোডে এক যুবকের গলাকাটা দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত যুবকের নাম দেবজ্যোতি সিং (২৭), যিনি জামুরিয়া থানার নিঘার বাসিন্দা। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ দেবজ্যোতির সহকর্মী পাম্মি শর্মাকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে, যা এই রহস্যজনক হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
পরিবারের অভিযোগ: সন্দেহভাজন পাম্মি শর্মা
দেবজ্যোতি সিং-এর পরিবারের তরফে কুলটি থানার নিয়ামতপুর ফাঁড়িতে দেবজ্যোতির সহকর্মী পাম্মি শর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। পরিবারের দাবি, পুরুলিয়া জেলার পারবেলিয়ার বাসিন্দা পাম্মি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে অসঙ্গতি, তারপর গ্রেপ্তার
এই অভিযোগের ভিত্তিতে কুলটি থানার নিয়ামতপুর ফাঁড়ির পুলিশ তদন্ত শুরু করে। বুধবার বিকেলে অভিযুক্ত পাম্মি শর্মাকে নিয়ামতপুর ফাঁড়িতে ডেকে পাঠানো হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর পাম্মি শর্মার কথায় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় অভিযুক্ত পাম্মি শর্মাকে আসানসোল জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ আদালতের কাছে পাম্মির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে বলে জানা গেছে। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনে পুলিশ জোর কদমে তদন্ত চালাচ্ছে। দেবজ্যোতির গলাকাটা দেহ উদ্ধারের ঘটনায় এই গ্রেপ্তারির পর রহস্যের জট খুলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।





